ইরাকের ইরবিলে মার্কিন বাহিনীর সদর দপ্তরে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দেশটির রাষ্ট্রী গণমাধ্যম এই দাবি করেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা উত্তর ইরাকের এরবিলে মার্কিন সেনাদের আবাসস্থলে ড্রোন ব্যবহার করে একটি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। হামলায় ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষতি’ হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম তাসনিমের মতে, এই ঘটনাটি দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করতে পারে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা হতাহতের বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে, স্থানীয় সময় শনিবার সকালে ইরানে সমন্বিত হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পরমাণু কর্মসূচি ইস্যুতে এই দুই দেশের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে ইরানের। যদিও তেহরান দাবি করছে, পরমাণু শক্তি অর্জন তাদের অধিকার এবং তারা তা শান্তিপূর্ণভাবে করছে। এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য।
কিন্তু ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের দাবি, ইরান পরমাণু শক্তি অর্জন করলে ‘বিশ্ব মানবতার জন্য হুমকি’ হয়ে দাঁড়াবে। তাই দেশটিকে রুখতে তারা হামলা চালিয়েছে।
এদিকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চুক্তির জন্য গত বছর থেকে কয়েক ধাপে পরোক্ষ আলোচনায় অংশ নিয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। আলোচনার মধ্যে গত বছরের জুনে ইরানে আকস্মিক হামলা চালায় ইসরায়েল। সঙ্গে যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এবারও একই পথে হেঁটে তেহরানে হামলা চালিয়েছে মিত্র দুই দেশ।