লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ১০ দিনের এ যুদ্ধবিরতিতেও দক্ষিণ লেবানন থেকে নিজেদের সৈন্য সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে না ইসরায়েল।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ২ মার্চ হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইরানের সঙ্গে আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই দক্ষিণ লেবাননে পুরোদমে আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। অভিযানের শুরুতেই লিটানি নদীর দক্ষিণে অবস্থিত লেবাননের প্রায় ৮ শতাংশ ভূখণ্ড থেকে সাধারণ মানুষকে ঘরবাড়ি ছাড়ার নির্দেশ দেয় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইসরায়েলের দাবি, এই এলাকাটি হিজবুল্লাহর প্রধান ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
ইসরায়েলি সেনারা গত কয়েক সপ্তাহে ওই এলাকার একের পর এক লেবাননি গ্রাম মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে। ইসরায়েলের সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, উত্তর ইসরায়েলের শহরগুলোকে হিজবুল্লাহর রকেট হামলা থেকে সুরক্ষা দিতে তারা সেখানে একটি স্থায়ী বাফার জোন বা নিরাপত্তা এলাকা তৈরি করতে চায়। আর এই কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে যুদ্ধবিরতি চলাকালীনও সেখান থেকে এক চুল নড়তে নারাজ ইসরায়েলি সৈন্যরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, যে কোনো সম্ভাব্য চুক্তির অধীনে সাময়িকভাবে হামলা বন্ধ থাকলেও বাফার জোনে ইসরায়েলি সেনাদের মোতায়েন অব্যাহত থাকবে। অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির শর্ত যাই হোক না কেন, দক্ষিণ লেবাননের বিশাল একটি অংশ ইসরায়েলি বাহিনীর সরাসরি নিয়ন্ত্রণেই থাকছে।