ইরানে দুটি মার্কিন সামরিক বিমান ভূপাতিত করার ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত বিরল বলাই যায়। কারণ, এমন ঘটনা গত ২০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে দেখা যায়নি।
যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে আসছেন, ইরান 'সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে', তবে এই ঘটনা এটাই প্রমাণ করে যে ইরান ধ্বংস হয়ে যায়নি, বরং তার পাল্টা হামলা করার সক্ষমতা এখনও রয়েছে।
যুদ্ধের পঞ্চম সপ্তাহে ইরানে প্রথমবারের মতো ব্যাপক মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার মধ্যে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হলো। যেখানে ট্রাম্প এই সপ্তাহের শুরুতে বলেছিলেন, তেহরানের 'ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে'।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার ইরান একটি মার্কিন এফ-১৫-ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। ওই বিমানের একজন ক্রুকে উদ্ধার করেছে মার্কিন বাহিনী। আরেকজনকে উদ্ধারে সন্ধান এখনও চলছে।
অন্যদিকে, যুদ্ধবিমানটির ক্রুদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করে ইরান। দেশটির একটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, 'যদি আপনারা শত্রু পাইলট বা পাইলটদের জীবিত আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিতে পারেন, তবে আপনাদের মূল্যবান পুরস্কার দেওয়া হবে।' এছাড়া টেলিভিশনের স্ক্রিনে চলা স্ক্রলে (নিচের লেখা) জনগণকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, 'তাদের দেখামাত্রই গুলি করুন'।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে আরও বলা হয়েছে, ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর হামলায় একটি মার্কিন এ-১০ যুদ্ধবিমানও বিধ্বস্ত হয়েছে।
অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ফোর্স ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও সাবেক এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের পাইলট হোস্টন ক্যান্টওয়েল জানান, সর্বশেষ ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের সময় একটি মার্কিন এ-১০ থান্ডারবোল্ট ২ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল।