সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এ সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া যোগ্য প্রার্থীদের আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রার্থীরা। একই সঙ্গে ফৌজদারি অপরাধ, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় থাকা বা সনদ জালিয়াতির অভিযোগ না থাকা যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। দাবি পূরণ না হলে কর্মসূচিতে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রার্থীরা।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ ব্যাচ’-এর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ব্যাচ-২০২৫। দীর্ঘ আট মাস সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে বেকার থেকে মানবেতর জীবনযাপন করার পর যখন অযাচিতভাবে একজন প্রার্থী ভেরিফিকেশনের নামে প্রহসনে নিয়োগপত্র বঞ্চিত হয় তখন রাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার স্পষ্টভাবে হরণ করা হয়।’
প্রার্থীরা বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে ১ কোটি বেকারের কর্মসংস্থান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু আজ বেকারদের নিয়ে চূড়ান্ত প্রহসন করা হচ্ছে, বেকারত্ব বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আমরা চাই না পুনরায় রি-ভেরিফিকেশনের নামে প্রহসন করা হোক।’
ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে কতজন প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘২৫০০+ প্রার্থীকে কেন বাদ দেওয়া হলো তার কারণ অজানা। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ আসলে কে আমরা জানি না। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলে সকল দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ের আবার মন্ত্রণালয় বলে জেলা শিক্ষা অফিস মূল দায়িত্বে আর জেলা অফিস বলে দায়িত্ব অধিদপ্তরের হাতে। আসলে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কারা?’
এ বিষয়ে তাদের দাবি, ‘আমাদেরাওয়া, সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয়, সনদ জালিয়াতি ব্যতীত যোগ্য সকলকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়োগপত্র প্রদান করতে হবে। না হলে কর্মসূচীতে যেতে বাধ্য হব।’
একই সঙ্গে ১ অক্টোবর একসঙ্গে যোগদানের প্রত্যাশা জানিয়ে প্রার্থীরা বলেন, ‘আমরা চাই, সকল যোগ্য প্রার্থী আগামী ১লা অক্টোবর একসাথে যোগদান করতে।’