ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলে গত তিন দিনে অন্তত ৬০ ছাত্রী ‘পানিবাহিত রোগে’ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা বমি, ডায়রিয়া ও এ সংক্রান্ত বিভিন্ন উপসর্গে ভুগছেন। হল সংসদের নেত্রীরা জানিয়েছেন, ৬ থেকে ৭ জন শিক্ষার্থীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের স্যালাইন দিতে হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) রাতে হল সংসদের সহসভাপতি রাফিয়া রেহনুমা বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। হল প্রশাসনের মাধ্যমে পানি ও খাবারের নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, পানির সরবরাহে রাসায়নিক দূষণের কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়ে থাকতে পারে। হলের পানির ট্যাংক পরিষ্কারের পর থেকেই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে শুরু করেন।
রাফিয়া বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হল সংসদ চাপ প্রয়োগকারী গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করেছে। তার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের বারবার পানির ফিল্টার পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার মতো মৌলিক রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়গুলো নিয়ে প্রশাসনকে তাগিদ দিতে হয়।
কুয়েত মৈত্রী হলের প্রভোস্ট মাহবুবা সুলতানা বলেন, কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। পানির রিজার্ভার আবারও পেশাদারভাবে পরিষ্কার করা হয়েছে। গত ৬ মে অসুস্থতার ঘটনা সামনে আসার পর হলে একটি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।