অলরাউন্ড নৈপুন্যে বাংলাদেশকে মেহেদী হাসান মিরাজ জিতিয়েছেন অনেক ম্যাচ। দেশের অন্যতম ব্যাট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে এমকেএসের ব্যাট দিয়েও তিনি খেলেছেন। এই ব্যাট কোম্পানির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মিরাজের চাওয়া, ক্রেতাদের যেন তাঁর কোম্পানি মানসম্মত ব্যাট দেয়।
এমকেএসের এক অনুষ্ঠানে আজ মিরাজ তাঁর এই ব্যাট কোম্পানি নিয়ে প্রচারণা করেছেন। শুধুমাত্র নামের কারণে তাঁকেই ভালো ব্যাট দেওয়া হবে, এমনটা তিনি চান না। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার বলেন, ‘আমি মিরাজ বলেই আমাকে ভালো জিনিস দেবেন, ব্যাপারটা এমন না। প্রত্যেক ক্রেতাকে আমার মতোই বিবেচনা করবেন।’
২০২৪ সালের শেষ অংশ হতে ২০২৫ বিপিএল পর্যন্ত মিরাজের ব্যাটে দেখা গেছে রানের ফোয়ারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০২৪ সালে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২ ফিফটিতে করেছিলেন ১৫২ রান। ২০২৫ বিপিএলে খুলনা টাইগার্সকে নেতৃত্ব দেওয়া মিরাজ ১৪ ম্যাচে ২৭.৩ গড় ও ১৩২.৯৫ স্ট্রাইকরেটে করেছিলেন ৩৫৫ রান। বোলিংয়ে ১৩ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টও হয়েছিলেন তিনি।
সবশেষ দুই বছরে যা রান করেছেন, তার বেশির ভাগই এমকেএস ব্যাট থেকে এসেছে বলে জানিয়েছেন মিরাজ। এমকেএসের অনুষ্ঠানে আজ বাংলাদেশের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার বলেন, ‘এটা তো আমারই কোম্পানি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দুটি ফিফটি করেছিলাম এমকেএস ব্যাট দিয়ে। বিপিএলে গত বছর টুর্নামেন্টসেরা হয়েছিলাম। নিজের কোম্পানির ব্যাট দিয়ে খেলার অনুভূতিটা ছিল অন্যরকম। গত ২ বছরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যা রান করেছি বেশিরভাগই এমকেএসের ব্যাটে।’
এমকেএস কোম্পানির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মিরাজ হলেও বর্তমানে অনেক দিন ধরেই তাঁকে এই ব্যাট দিয়ে খেলতে দেখা যাচ্ছে না। কেন খেলছেন না, এই ব্যাপারে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার বলেন, ‘আমি তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি। স্পনসরের ব্যাপার আছে। এর আগে কয়েকটা কোম্পানির ব্যাট দিয়ে খেলেছি। মাঝখানে খেলেছি। শিগগিরই এমকেএস দিয়ে খেলতে দেখবেন আমাকে।’
২০২৬ বিপিএলে সিলেট টাইটানসকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মিরাজ। তবে আশানুরূপ পারফর্ম তিনি করতে পারেননি। সিলেটের হয়ে ১২ ম্যাচে ৯ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৬ উইকেট। রান করেছেন ঠিক ১০০। গড় ও স্ট্রাইকরেট ১২.৫ ও ৯০.৯০। তাঁর দল বিদায় নিয়েছে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে। চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়ে ২৩ জানুয়ারি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।