Image description
 

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেওয়া হলেও কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব হুমায়রা নূরকে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে দলটির আরেক যুগ্ম সদস্য সচিব মাহমুদা মিতু বলেছেন, আমি সবসময়ই খেয়াল করেছি, আমরা যারা একটু ইসলাম নিয়ে কথা বলি, পজিটিভলি এগুলোকে হ্যান্ডেল করি, আমাদেরকে কোন ফোরামে কথা বলতে দেওয়া হয় না। 

 

ইভেন দেখবেন যে বিভিন্ন টকশোতেও যারা এগুলোকে ডিফেন্ড করে তাদেরকে খুব কম ডাকা হয়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি ধারণ করা নারীদের আপনারা আর কোথাও ডাকবেন না। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন তিনি। 

 

মাহমুদা মিতু বলেন, নারী রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম নামে একটা ফোরাম আমাকে গতদিন একটা প্রোগ্রামের জন্য ইনভাইট করল। আমি যেহেতু ঢাকায় নাই, তাই চিন্তা করলাম যে আমি নাই তাহলে হুমায়রা আপুকে বলি। 

 

হুমা আপু এসে আমাকে খুবই কমপ্লেন করতেছে। সেখানে কাজী জেসিন আপা ছিলেন, তাজনুভা আপু ছিলেন, সামান্তা শারমিন ছিলেন এবং অন্যান্য নেত্রীরা ছিলেন। প্রত্যেককে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু হুমায়রা আপাকে সেখান থেকে রাগ করে চলে যেতে হয়েছে। 

হুমায়রার চলে যাওয়ার কারণ হিসেবে বলেন, হুমায়রা আপা বলতেছেন যে, আমি ইদানিং জোটের পরে জামায়াত নিয়ে পজিটিভলি বলতেছি, জোট নিয়ে পজিটিভলি বলতেছি। ওখানে তো তারা পুরোপুরি কেন জামাত নারী দেয় নাই, কেন এই করে নাই, সেই করে নাই- এই প্রশ্নগুলো সারাক্ষণই আমাদেরকে করতে থাকে। সেইখানে আমরা যদি কথাই না বলতে পারি, তাহলে আমরা যারা সারাক্ষণ এসব বিষয় নিয়ে ব্যাশিং করি না, আমরা যারা এগুলো নিয়ে পজিটিভলি ভাবি—  আপনারা আমাদেরকে ডাকবেন না। 

 

তিনি আরও বলেন, আপনারা যদি মনে করেন যে, যারা সারাক্ষণ একই প্রশ্ন করবে নারী কোথায়, নারী কোথায় এবং সেই প্রশ্নের উত্তর আমাদেরকে দিতে দিবেন না, আমরা নারীরা থেকেও সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারি, তাহলে আপনারা আমাদেরকে কোন প্রোগ্রামে ডাকবেন না। 

আমাদের কোন দরকার নাই আপনাদের মিডিয়া ফুটেজ বা কোন কিছু। দেখেন না আমি কোথাও যাই না। আমি কোন ফুটেজের কোন অপেক্ষা করি না। আমি নিজের মত নিজে চলি। সো, আপনারা এমন কোন প্রোগ্রামে ডাকবেন না যেখানে আমাদেরকে কথা বলতে দিবেন না। 

আর কথা বলতে না দিলে আপনারা নিজেরা নিজের রাজনৈতিক অধিকার যারা খুলছেন, তারাই কথা বলবেন। কারণ ওইসবে আমাদের মত নারীদের কোন রিপ্রেজেন্টেশন নাই। বাংলাদেশের সংস্কৃতি ধারণ করে যেসব নারীরা, তাদেরকে আপনারা কোথাও সেই রিপ্রেজেন্টেটিভ করেন না। সো, আমাদেরকে ডাকবেন না।