এবারই প্রথম বিপিএলে সুযোগ পেয়েছিলেন হাসান ইশাখিল; কিন্তু প্রথম টানা ৭ ম্যাচ তার সময় কেটেছে বেঞ্চে। এরপর অষ্টম ম্যাচে একাদশে সুযোগ পেলেন, নিজের বাবার সঙ্গে জুটি গড়লেন স্বপ্নের অভিষেক হলো। পরের ম্যাচে রান পাননি, তবে শেষ ম্যাচে করেছেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। সবমিলিয়ে বিপিএলে শুরুটা অপেক্ষায় কাটলেও শেষটা হয়েছে দুর্দান্ত।
রোববার তো রীতিমতো মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ছক্কার মেলা বসিয়েছিলেন। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ৪ চার ও ১১ ছক্কায় ৭২ বলে করেছেন ১০৬ রান। সিলেটে অভিষেক ম্যাচে প্রায় সেঞ্চুরি পেয়ে যাচ্ছিলেন, কিন্তু থামতে হয় ৯২ রানে।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকায় পেলেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। এই ইনিংস বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলেই মনে করেন তিনি। বিপিএলে আবার ফিরতে চান সুযোগ পেলেই, ‘যদি কেউ আমাকে দলে নেয়, আমি আবার বিপিএলে আসতে চাই।’
ঢাকায় রোববার হাসান ছক্কা মেরেছেন ১১টি। যেখানে তার দল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ছক্কার সংখ্যা ১২! বিপিএলে এক ইনিংসে এত ছক্কা আছে শুধু তিনজনের— ক্রিস গেইল, তামিম ইকবাল আর জনসন চার্লসের। যদিও রেকর্ড মাথায় ছিল না হাসানের, ‘আমি কখনোই এটা ভেবে নামি না যে ১০টা বা ১১টা ছক্কা মারতেই হবে। আজ যে ১১টা ছক্কা মারলাম, সেটাও বুঝতে পারছিলাম না। তিন ম্যাচে আসলে অনেক ছক্কাই মেরেছি!’
শেষ ২৩ বলে ৫৭ রান করা হাসানের ফিফটি করতেই লেগেছিল ৫০ বল। শুরুতে যথেষ্ট ভুগতে হয়েছে হাসানকে। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিকল্পনা সহজ ছিল। ঠিক জায়গায় বল পেলে মারতে যাব। ইন্টেন্ট থাকবে ইতিবাচক। প্রথম ১০–১২ ওভার খুব কঠিন ছিল। স্ট্রাইক রোটেশন ভালো হচ্ছিল না। পরে উইকেট বদলে যায়। তখন নিজেকে বলছিলাম— এখন মারতে হবে।’