Image description
 

টস জিতে জাওয়াদ আবরার বোলিং নিয়েছিলেন। সে সিদ্ধান্তটা যে সঠিকই ছিল, সেটা বাংলাদেশের বোলাররা ভালোভাবে ভালোভাবে প্রমাণ করছেন। শুরু থেকে ভারতকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ। অর্ধেক ইনিংস হাওয়া হয়ে গেছে ১১৯ রান তুলতেই।

 

শুরুটা করে দিয়েছিলেন আল ফাহাদ। ভারত অধিনায়ক আয়ুশ মাহাত্রেকে কালাম সিদ্দিকির ক্যাচ বানিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরান তিনি। এর পরের বলেই তিনি শিকার করেন বেদান্ত ত্রিবেদীকে। ১২ রানে ২ উইকেট খুইয়ে বিপাকে পড়ে যায় ভারত।

এরপর বৈভব সূর্যবংশী একাই চেষ্টা করেছিলেন ভারতকে তরিয়ে নেওয়ার। ৩০ বলে ফিফটি তুলে বাংলাদেশকে চোখরাঙানি দিচ্ছিলেন। তবে এরপরই বাংলাদেশ অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম দারুণ ভাবে ভারতকে চেপে ধরেন বোলারদের অদলবদল করে। ৩০ বলে ফিফটি করা বৈভব আউট হওয়ার আগ পর্যন্ত খেলেছেন আরও ৩৭ বল, রান তুলতে পেরেছেন আর মোটে ২২টি। 

মাঝে আবার বিহান মালহোত্রার উইকেট তুলে নেন অধিনায়ক তামিম নিজেই। এরপর বৈভব যখন থিতু হয়ে ইনিংস গড়ায় মন দিয়েছিলেন, তখন আঘাত হানেন শুরুর স্পেলে বেশ রান দেওয়া ইকবাল হোসেন ইমন। তার বলে কাউ কর্নার দিয়ে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আল ফাহাদের হাতে ক্যাচ দেন বৈভব। ৬৭ বলে ৭২ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন তিনি। 

এরপর খুব দ্রুতই পঞ্চম উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। হরবংশ পাঙ্গালিয়াকে ফেরান সেই ইমনই। ১১৯ রানে ৫ উইকেট খুইয়ে বসে ভারত। 

তবে এরপরই অবশ্য প্রতি আক্রমণ শুরু করেন অভিজ্ঞান কুণ্ডু ও কনিষ্ক চৌহান। দুজন মিলে এই প্রতিবেদন লেখার আগ পর্যন্ত ৩৪ বলে তুলে ফেলেছেন ৪২ রান। ৩৪ ওভার শেষে ভারত তুলেছে ১৬১ রান।