Image description

গত ম্যাচের বাজে আউটটা নিঃসন্দেহে অনেক পুড়িয়েছে তাওহীদ হৃদয়কে। তবে গত ম্যাচে দলের প্রয়োজনে তেমন কিছু করতে পারলেও সিলেট টেস্টে একাই ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন হৃদয়। দলের বিপর্যয়ের মধ্যেই তুলে নিয়েছেন দারুণ এক সেঞ্চুরি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের পথে একমাত্র কাঁটা হয়ে এখনও অপরাজিত আছেন ডানহাতি এই ব্যাটার।

সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্নবিরতি পর্যন্ত ৭ উইকেটে ২০৫ রান করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে এখনও উইন্ডিজের চেয়ে ১৫১ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ। সেঞ্চুরি করে ১০০ রানে অপরাজিত আছেন হৃদয়।

 

৩ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি হৃদয়ের প্রথম সেঞ্চুরি। ১৭১ বল খেলে সেঞ্চুরিটি করেছেন এই ব্যাটার। ১১ চারের সঙ্গে মেরেছেন একটি ছক্কা।

 

৩ উইকেটে ৮৮ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে রোববার প্রথম ৭ ওভার নির্বিঘ্নে কাটিয়েছিল বাংলাদেশ। রানের গতিও ছিল ভালোই। দিনের প্রথম ৭ ওভারে ৩৩ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। ছন্দপতন ঘটে মুশফিকুর রহিমের বিদায়ে। জোমেল ওয়ারিক্যানের হাওয়ায় ভাসানো বলে ড্রাইভ খেলে শর্ট কাভারে সহজ ক্যাচ তুলে দেন অভিজ্ঞ মুশফিক। ৩৪ রান করে আউট হয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার।

 

মুশফিকের মতো একই ধরনের আউট হয়েছেন লিটন দাসও। ওয়ারিকানের ধীরগতির বলে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে ড্রাইভ করতে গিয়ে কাভারে দাঁড়ানো কিংয়ের হাতে ক্যাচ দেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ৮ রান করে ফেরেন লিটন।

 

লিটনের বিদায়ের পর মেহেদী মিরাজের সঙ্গে ৪১ রানের জুটি গড়েন হৃদয়। দুজনেই বেশ সাবলীলভাবে ব্যাটিং করছিলেন। সুইপ খেলতে গিয়ে আউট হন।

 

অবশ্য এই ক্যাচে জাস্টিন গ্রিভসের কৃতিত্ব অনেক বেশি। চেজের বলে মিরাজ আগেভাগেই প্যাডেল সুইপ খেলার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন মিরাজ, কিন্তু বলটি মাটিতে রাখতে পারেননি। প্রথম স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা গ্রিভস আগে থেকেই বিষয়টি আঁচ করতে পেরেছিলেন। তিনি দ্রুত পাশের দিকে সরে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে দারুণ ক্যাচ নেন।

 

বল হাতে আগুন ঝরানো হাসান ব্যাট হাতে কেবল ১ রান করতে পেরেছেন। ১ রানে অপরাজিত আছেন তাইজুল ইসলাম।