পিএসএল ফাইনালের জন্য উড়িয়ে আনা হয়েছিল নাহিদ রানাকে। বিসিবি শুরুতে এনওসি বাতিল করলেও পেশোয়ার জালমির অনুরোধ ফেলতে পারেনি। আর ফাইনালে আগুন ঝরানো বোলিংয়ে রানা বোঝালেন কেন তাকে পেতে মুখিয়ে ছিল পেশোয়ার।
লাহোরে টস হেরে ব্যাট করে ১৮ ওভারে ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় হায়দরাবাদ কিংসমেন। নাহিদ রানা ২২ রানে নেন ২ উইকেট। তার বোলিং ফিগার ৪-১-২২-২। ফাইনালের মতো মঞ্চে একটি মেডেনসহ এমন হাড়কিপটে বোলিংয়ের ভূয়সী প্রশংসা করছিলেন ধারাভাষ্যকাররা।
জবাবে পেশোয়ার লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ১৫.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে। দাপুটে জয়ে বাবর আজমের দল পায় শিরোপার স্বাদ।
৬ষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে আসেন নাহিদ রানা। সেই ওভারে দেন ১৩ রান। অষ্টম ওভারে ৫ রান দিয়ে নেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের উইকেট। প্রথম বলেই তার গতিময় বাউন্সার সামলাতে না পেরে মিডঅনে ক্যাচ দেন ম্যাক্সওয়েল। সেই ওভারে রান আউট হন কুশল পেরেরা। নাহিদ রানা তাকে বাধা দিয়েছেন দাবি করলেও আম্পায়াররা সেই অভিযোগ আমলে নেননি।
১৪তম ওভারে বোলিংয়ে ফিরে মেডেনসহ রানা নেন হুনাইন শাহর উইকেট। ১৪৮ কিলোমিটার গতিময় ডেলিভারিতে তিনি বোল্ড করেন তাকে। ১৭তম ওভারের প্রথম বলটা ইয়র্কার করেছিলেন নাহিদ। সাইমকে আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দিলেও রিভিও নিয়ে বেঁচে যান তিনি। সেই ওভারে নাহিদ রানা দেন ৪ রান।
বড় ম্যাচের চাপটা ভালোভাবেই নেন এই তরুণ। ২ উইকেটে ৭১ রান থেকে ১২৯ রানে হায়দরাবাদের অলআউট হওয়ার পেছনে দারুণ অবদান রানার। হায়দরাবাদের হয়ে সবচেয়ে বেশি ৫৪ রান সাইম আইয়ুবের।
জবাবে বাবর আজম ০, মোহাম্মদ হারিস ৬ রানে ফিরলেও অ্যারন হার্ডির ৫৬ ও আব্দুল সামাদের ৪৮ রানে সহজ জয় পায় পেশোয়ার।
