ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি একদিন আগেই শুনিয়েছিলেন আশার কথা। নেইমারকে তিনি বিশ্বকাপ দল থেকে এখনো পুরোপুরি ছেঁটে ফেলেননি। ইতালিয়ান এই মাস্টারমাইন্ড জানিয়েছেন, আগামী বিশ্বকাপের প্রাথমিক তালিকায় রাখা হচ্ছে সান্তোস তারকাকে। এরপরই সান্তোসের হয়ে মাঠে ফিরেছেন ব্রাজিল তারকা। নিজে গোল না পেলেও তার দল আতলেতিকো মিনেইরোকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম এল’ইকুইপ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি বলেছেন, ‘নেইমার ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে ইতিহাস গড়েছে এবং এখনো গড়ে চলছে। তার মতো প্রতিভা বিশ্বকাপে অবদান রাখবে এটাই স্বাভাবিক। সে এখন আমাদের এবং পর্যবেক্ষণে আছে। নিজেকে প্রমাণের জন্য তার হাতে এখনো দুই মাস সময় আছে। ২০২২ বিশ্বকাপের পর সে শারীরিকভবে শতভাগ ফিট ছিল কি না তা নিয়ে সন্দেহ থাকলেও, সে আবার ফিট হওয়ার ক্ষমতা রাখে।’
আনচেলত্তির কোচ হওয়ার পর ব্রাজিল স্কোয়াডে সুযোগই পাননি নেইমার। এ নিয়ে ফুটবলবিশ্বও এখন দুই ভাগে বিভক্ত। তবে আনচেলত্তির এই মন্তব্য সাম্বা ভক্তদের মনে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে। আনচেলত্তির নীতি খুব পরিষ্কার— তিনি কেবল শারীরিকভাবে পুরোপুরি ফিট খেলোয়াড়দেরই স্কোয়াডে চান, ‘হাঁটুর ইনজুরি কাটিয়ে নেইমার দারুণভাবে ফিরে এসেছে এবং গোল করছে। তাকে এভাবেই খেলে যেতে হবে এবং ফিটনেসের আরও উন্নতি করতে হবে। সে সঠিক পথেই আছে।’
এদিকে শনিবার রাতে ঘরের মাঠ ভিলা বেলমিরোতে আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজায় সান্তোস। এই ম্যাচ দিয়েই দুই ম্যাচ পর দলে ফিরলেন নেইমার। এর আগে নিষেধাজ্ঞার কারণে ফ্লামেঙ্গোর বিপক্ষে এবং বিশ্রামের কারণে দেপোর্তিভো কুয়েঙ্কার বিপক্ষে তিনি খেলতে পারেননি। মাঠে ফিরে ১০ নম্বর জার্সিধারী নেইমার শুরু থেকেই বেশ সক্রিয় ছিলেন। বিরতির পর ম্যাচের ৬২ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় সান্তোস। বদলি নামার মাত্র সাত মিনিটের মাথায় চমৎকার এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল করেন ময়েসেস।