Image description

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) সংবাদ সম্মেলন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অফিস থেকে বেরিয়ে যান সদ্য সাবেক বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এডহক কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়ার পর বিসিবি থেকে বেরিয়ে যাওয়া বুলবুলের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে কোন সাড়া পাওয়া যায়। গতকাল রাতে ১০ টার দিকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠান তিনি। সেখানে জানানো হয়েছে, এই এডহক কমিটি অবৈধ। বিসিবির নির্বাচিত পরিচালনা পরিষদকে ভেঙে দেওয়ায় আইসিসির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি। একই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি বিভাগের কর্মকর্তা থাকায় এই নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোন সুযোগ নেই।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আমিনুল ইসলাম বুলবুল এডহক কমিটিকে অবৈধ অ্যাখ্যা দিয়ে পাঁচটি পয়েন্ট তুলে ধরেছেন। সেখানে প্রথম পয়েন্টে জানানো হয়েছে, বিসিবির গঠনতন্ত্র মেনে নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে। এখানে অনিয়মের কোন সুযোগ ছিল না। দ্বিতীয় পয়েন্টে তিনি জানান, নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এই ধরনের তদন্ত কমিটি করার কোন সুযোগ নেই এনএসসির সামনে। সেখানে আরও যোগ করেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক রাজনৈতিকভাবে এই কাজ করেছেন।

তৃতীয় পয়েন্টে উল্লেখ করেছেন, বিসিবির পরিচালনা পরিষদ ভেঙে এডহক কমিটি গঠন করার কোন সুযোগ নেই। বিসিবির গঠনতন্ত্রে এডহক কমিটির কোন বিধান নেই। সে কারণেই এডহক কমিটি অবৈধ বলে দাবি করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। চতুর্থ পয়েন্টে এই ঘটনাকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য কালো অধ্যায় বলেও মনে করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তাতে পুরো বিশ্বের সামনে বাংলাদেশের মানসম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে বলে মনে করেন। এছাড়া ৫ম পয়েন্টে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যত নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

এছাড়া বর্তমানে হাইকোর্টে একটি রুল আবেদন স্থগিত অবস্থায় রয়েছে। বিষয়টি সেখানে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি বিসিবি সভাপতি হিসেবে থাকবেন বলেও জানান এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।