Image description
বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার হোম টেস্ট সিরিজ ও দ্য হানড্রেডের সূচি সাংঘর্ষিক হওয়ার পরও অজি ক্রিকেটারদের অনেকে জাতীয় দলকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। 
 
কিন্তু বিপুল অর্থের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে জাতীয় দলে খেলার মানসিকতা কতদিন থাকবে, তা নিয়ে সন্দিহান অস্ট্রেলিয়ার তারকা প্যাট কামিন্স।
 
২০০৩ সালের পর প্রথমবার বাংলাদেশকে টেস্ট খেলতে স্বাগত জানাবে অস্ট্রেলিয়া। প্রায় একই সময়ে চলবে ইংল্যান্ডের ১০০ বলের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। যেখানে চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়রা আয় করতে পারে প্রায় ৫ লাখ পাউন্ড বা ৮ কোটি টাকা।
 
প্রতিপক্ষ বিবেচনায় এই বাংলাদেশ সিরিজে দ্বিতীয় সারির দল নামাতে পারত অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু জাতীয় দলের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে অর্থের লোভ সংবরণ করে দ্য হানড্রেডের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন কামিন্সসহ ট্র্যাভিস হেড, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড ও ক্যামেরন গ্রিনের মতো অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় লাল বলের ক্রিকেটাররা।
 
 
যদিও অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের খেলোয়াড় যেমন টিম ডেভিড, অ্যাডাম জাম্পা ও মিচেল মার্শ ইংল্যান্ডের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলবেন। তবে টেস্ট দলের নিয়মিত খেলোয়াড়রা সেদিকে নজর দেননি।
 
কামিন্সের মতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক লোকসান হলো খেলোয়াড়দের। বিজনেস অব স্পোর্ট পডকাস্টে তিনি বললেন, ‘অ্যাশেজ হলে স্বাভাবিকভাবে অনেক খেলোয়াড়ই সেখানে খেলতে চায়। কিন্তু এইবার দ্য হানড্রেডের সময়ে হবে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্ট। যারা টেস্ট খেলতে যাচ্ছে, তারা দ্য হানড্রেডের ড্রাফট থেকে সরে দাঁড়িয়েছে।’
 
কামিন্সের কথা, ‘২০ দিনে প্রায় ৫ লাখ পাউন্ডের প্রস্তাব আমাদের খেলোয়াড়দের কেউ কেউ ফিরিয়ে দিয়েছে। তারা আসলে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলার জন্যই এটা করছে। তবে এটা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে, এটা বেড়েই চলেছে।’
 
অস্ট্রেলিয়া টেস্ট অধিনায়ক বললেন, ব্যাগি গ্রিনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মানসিকতা এখনো অটুট। কিন্তু তার মনে হয় না, ক্রমবর্ধমান অর্থের ঝনঝনানি ‍উপেক্ষা করে সবসময় জাতীয় দলের দায়বদ্ধতাকে এগিয়ে রাখতে পারবে ক্রিকেটাররা।
 
সময়ের আলো