Image description

ঝিনাইদহের মহেশপুরে স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় অনুষ্ঠান বর্জন করেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এই ঘটনার জেরে ওই রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তারকে বাগেরহাটের চিতলমারিতে বদলি করা হয়েছে বলে দাবি উঠেছে।

তবে চিঠি ইস্যুর তারিখ ২৫ মার্চ ব্যবহার করা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

জানা যায়, খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার আমিরুল আরাফাত স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই বদলির আদেশ দেওয়া হয়।

২৬ মার্চ রাতে ইউএনও খাদিজা আক্তার চিঠিটি হাতে পেলেও সেখানে ২৫শে মার্চের তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে।

 

অনুষ্ঠান বর্জন ও উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে ইউএনও খাদিজা আক্তার বলেন, ‘আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। সরকার ও আইন যেভাবে নির্দেশনা দেবে, সেভাবেই আমাদের দায়িত্ব পালন করতে হয়। স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে সংবিধানে বর্তমানে যেভাবে রয়েছে, তা অনুসরণ করতে হবে।

সংবিধান পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আমি কিভাবে বিএনপি নেতাদের কথামতো বক্তব্য দেবো?’

 

এদিকে ইউএনও’র বক্তব্যের প্রতিবাদে গতকাল বিকেলে মহেশপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মেহেদী হাসান রনি, সাধারণ সম্পাদক দবীর উদ্দিন বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান জিয়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তরফদার মাহমুদ তৌফিক বিপু, পৌর বিএনপির সভাপতি আইনজীবী আমিরুল ইসলাম খান চুন্নু, সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহাগ খানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে ইউএনও খাদিজা আক্তারকে অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। অন্যথায় আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।