Image description

আগামীর বাংলাদেশ কেমন হবে, তা ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) মুখপাত্র এবং দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। 

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় শহীদ মোস্তফা খেলার মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিগত ২০ বছরের সব অন্যায়, অনাচার, জুলুম, খুন ও গুমের পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচনে আমরা ভোটাধিকার করতে যাচ্ছি, যেই ভোটের জন্য কত মায়ের বুক খালি হয়েছে, কত স্ত্রী বিধবা হয়েছে, কত ভাই তার ভাই হারিয়েছে তার কোনো হিসাব নাই। এই ভোটের জন্য ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে আমাদের ১ হাজার ৪শ ভাই তাদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন।


 

তিনি বলেন, বিগত সময় যারা ভোট চুরি করে, কেন্দ্র দখল করে, আপনার আমার ভোটাধিকার হরণ করে ক্ষমতায় এসেছিল, তাদের কি পরিণতি হয়েছে আমরা দেখেছি। তাই যারা আবারও কেন্দ্র দখল করার পাঁয়তারা করছেন, যারা আবারও দীর্ঘদিন ধরে ভোটাধিকার বঞ্চিত জনতাকে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছেন, তাদের পরিণতি ও অবস্থানও দিল্লিতে হবে। 

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত ভোটাধিকার ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে বলবৎ রাখতে চাইলে, আগামী দিনে ভোটের জন্য কোনো সন্তানকে জীবন দিতে হবে না কিংবা আগামী দিনে আবারও কাউকে জেল-জুলুমের শিকার হতে হবে না, এই নির্বাচনে সঠিক নেতৃত্ব বাছাই করতে হবে। এজন্য আগামী নির্বাচনে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষের ব্যালটে সিল দিতে হবে এবং তা হল শাপলা কলি প্রতীক।

 

 

তিনি আরও বলেন, আমরা দেখছি একটি দলের প্রধান সারা দেশে বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন ধরনের কথা দিয়ে বেড়াচ্ছেন। অনেক কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে, সেগুলোর বিষয়েও তিনি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, যার দ্বারা প্রমাণ হয় যে তিনি সাধারণ মানুষের দুঃখ কষ্টের খবর জানেন না, কোন জেলায় কি ধরনের সমস্যা আছে তা জানেন না। তাই এই দলটি ক্ষমতায় এলে, তারা এদেশের জনগণের কোনো উপকারে আসবে না। 

সভায় এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা মিতু, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম এবং পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী শামীম হামিদীসহ এনসিপি ও জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।   

কালের কণ্ঠ