Image description

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। বর্তমানে দলটির চোখ রবিবার রাতে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের দিকে। তবে এর মধ্যেও দলটির ভেতরে বাজছে এক অদৃশ্য করুণ সুর। এই বিশ্বকাপ শেষে দলটির কমপক্ষে ৯ জন ফুটবলার বিদায় নেবেন। যারা দীর্ঘদিন একসঙ্গে খেলে ২০২২ সালেই সফলতার শিখরে উঠেছিল। তবে এই বিশ্বকাপের পর তাদের হয়তো আর দেখা যাবে না।

দলকে বিদায়ের জানানোর একেবারে শীর্ষে রয়েছেন দলের প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সেও বিশ্বকাপে ৮ গোল ও চার অ্যাসিস্ট করে আলো ছড়াচ্ছেন এ আর্জেন্টাইন জাদুকর। আগামী বিশ্বকাপ আসতে আসতে মেসির বয়স হবে ৪৩। সে পর্যন্ত শরীরও হয়তো তাকে আর খেলার অনুমতি দেবে না। যার কারণে নতুনদের জন্য জায়গা ছাড়তে বিশ্বকাপ শেষে দলকে বিদায় বলতে পারেন তিনি।

বিশ্বকাপ শেষ হলেই দলকে গুডবাই বলে দিতে পারেন দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্দি। ৩৮ বছর বয়সী এই ফুটবলার যে এবারও সুযোগ পেয়েছেন, এটাই বড় চমক। এই ওটামেন্দি ২০২২ বিশ্বকাপে দলের অতন্দ্র প্রহরী ছিলেন। এবার বয়সী এই ডিফেন্ডারকে বদলি হিসেবেই মাঠে বেশি দেখা যাচ্ছে।

এই বিশ্বকাপের পর দলে আর থাকবেন না মিডফিল্ডার লেয়ান্দ্রো পারেদেসও। ইউরোপের টপ লিগ থেকে বিদায় নিয়েছেন আগেই। ৩২ বছর বয়সী এই ফুটবলার এখন খেলছেন স্বদেশি ক্লাব বোকা জুনিয়র্সে। এখনও ফর্ম থাকলেও বয়স বিবেচনায় তিনি আর দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ থাকবেন না।

আরেক মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পলও এই বিশ্বকাপের পর দলকে বিদায় বলবেন। তার আগের সেই ফর্ম ও শারীরিক সক্ষমতা যে কমেছে, ইতোমধ্যে সেটা দেখা গেছে। দলের শুরুর একাদশেও জায়গা হারিয়েছেন তিনি। বদলি নামলেও আগের সেই ডি পলকে এবার দেখা যাচ্ছে না। ৩২ বছর বয়সী এই ফুটবলার আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত চালিয়ে যেতে যে পারবেন না, সেটি দেখাই যাচ্ছে।

 

দলকে এবারই বিদায় বলে দিতে পারেন ২০২২ বিশ্বকাপের আরেক নায়ক গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ৩৩ বছর বয়সী এই ফুটবলার আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত আর চালিয়ে যেতে পারবেন বলে মনে হয় না। এ ছাড়া দলের আরও দুই ব্যাকআপ গোলকিপার ৩৪ বছর বয়সী জেরোনিমো রুল্লি ও ৩২ বছর বয়সী হুয়ান মুসো কিছু দিন খেলা চালিয়ে গেলেও আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়ার সেই বয়স নেই।

এ ছাড়া ২৯ বছর বয়সী রাইট ব্যাক গনজালো মন্টিয়েল ও ৩০ বছর বয়সী জিওভানি লো সেলসো দলকে বিদায় জানাতে পারেন।