Image description

চলমান বিশ্বকাপে যখনই খাদের কিনারায় দাঁড়িয়েছে আর্জেন্টিনা, তখনই ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন তাদের মহানায়ক লিওনেল মেসি। শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর দুর্দান্ত এক গোল ও অ্যাসিস্টে দলকে জেতান তিনি। এরপর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের বয়স যখন ৮৫ মিনিট, তখনও ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আলবিসেলেস্তেরা।

সেখান থেকে মাত্র আট মিনিটে জাদুকরী দুটি অ্যাসিস্ট করে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন মেসি। প্রথমে এনজো ফার্নান্দেজ এবং পরে অতিরিক্ত সময়ে লাউতারো মার্টিনেজকে দিয়ে গোল করিয়ে আর্জেন্টিনাকে ২-১ ব্যবধানে ফাইনালে তোলেন এই আটবারের ব্যালন ডি'অর জয়ী তারকা। কিন্তু মহানাটকীয়ভাবে ফাইনালে ওঠার পরও মেসির গোল্ডেন বুট জয় এখনো নিশ্চিত নয়, কাগজে-কলমে তা হাতছাড়া হওয়ার সমীকরণ এখনো টিকে রয়েছে।

বর্তমানে আটটি গোল এবং চারটি অ্যাসিস্ট নিয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন লিওনেল মেসি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলসংখ্যাও আটটি, তবে অ্যাসিস্টের দিক থেকে মেসির চেয়ে একটি কম থাকায় তিনি আপাতত পিছিয়ে আছেন। স্পেনের কাছে হেরে ফ্রান্সের ফাইনালের স্বপ্ন ভাঙলেও এমবাপ্পের সামনে এখনো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি বাকি রয়েছে। সেই ম্যাচে এমবাপ্পে যদি অন্তত একটি গোল করতে পারেন এবং মেসি যদি স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে গোল করতে ব্যর্থ হন, তবে গোল্ডেন বুট চলে যাবে এমবাপ্পের ঝুলিতে।

 
 

সমীকরণ এখানেই শেষ নয়। মেসি ও এমবাপ্পে দুজনকেই টেক্কা দিয়ে ট্রফিটি ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে স্পেনের মিকেল ওয়ারজাবালের সামনেও। টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত পাঁচটি গোল করেছেন স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ড। ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও মেসির বিপক্ষে ওয়ারজাবাল যদি একাই চার গোল করে বসেন এবং অন্যদিকে মেসি ও এমবাপ্পে যদি নিজেদের শেষ ম্যাচে জালের দেখা না পান, তবে সবাইকে চমকে দিয়ে গোল্ডেন বুট নিজের করে নেবেন এই স্প্যানিশ তারকা।