Image description

ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বিসিবি নির্বাচনের ডামাডোল। আজ শেষ হয়েছে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের সময়সীমা। আজ শেষ হবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা। এর পরেই জানা যাবে কারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। নির্বাচনে যারাই অংশ নিক, সর্বোচ্চ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা চলছে বলে জানান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি জানান, বিসিবি নির্বাচনসংক্রান্ত সব ধরনের কার্যক্রম থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন।

 

এর আগে বিসিবির সবশেষ নির্বাচন নিয়ে হয়েছিল নানান সমালোচনা। এমনকি নির্বাচনে স্বচ্ছতা না থাকার অভিযোগের পাশাপাশি সে সময়ের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের হস্তক্ষেপের অভিযোগ ছিল। সে জায়গায় সতর্ক ভূমিকা পালন করছেন বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবাল।

তিনি বলেন, ‘আমি নিজেকে পুরোপুরি জায়গা থেকে (নির্বাচনসংক্রান্ত কাজ) সরিয়ে নিয়ে আসছি। এখন এ জিনিসটা পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের ওপর। এটা বলতে পারি যে আমি কোনো চিঠি স্বাক্ষর করছি না। আমি কোনো কাউন্সিলরশিপ ফেরত দিচ্ছি না।’

এছাড়া নির্ধারিত সময়ের পর কাউন্সিলরশিপ জমা নেওয়া হবে না সেই সিদ্ধান্তেও অটল থাকার কথা জানান তামিম। তার কথায়, ‘প্রথমে মোট ১৯২ কাউন্সিলর হওয়ার কথা ছিল। ১৮৫ বা ১৮৬ (১৮৪) কাউন্সিলর তালিকা জমা হয়েছে। তারপরও কিছু কাউন্সিলর চিঠি এসেছে। ওগুলো আলাদা লিখে দেওয়া হয়েছে। এটা ইসি সিদ্ধান্তের জন্য। কারণ ওগুলো সময় অতিক্রম করে পরের দিন বা পরে আমরা গ্রহণ করেছি।’

এর পরেই তিনি জানান, যতটুকু সম্ভব স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন করতে চান। এ নিয়ে তামিম ইকবাল বলেন, ‘যেহেতু আমরা নির্বাচন নিয়ে এত কথা বলেছি। আমার অধীনে যতটুক পারি স্বচ্ছতা রেখে নির্বাচন করা সম্ভব, ওই নির্বাচনটাই করছি।’

এবারের বিসিবি নির্বাচনে কোনো ধরনের প্যানেল হচ্ছে না বলে জানান তামিম ইকবাল। তার কথায়, ‘এখন পর্যন্ত আমার এ রকম কোনো পরিকল্পনা নেই। আশা করি একটা ওপেন ইলেকশন হবে। সবাই পার্টিসিপেট করবে, সবাই সবার মতো করে ভোট চাবে।’