Image description

টেস্টে কোনো ব্যাটার যখন এক বোলারের কাছে টানা আউট হন, তখন হয়ে যান ওই বোলারের ‘বানি’। ডেভিড ওয়ার্নারকে মোট ১৭ বার আউট করেছিলেন স্টুয়ার্ট ব্রড। ক্রিকেটে ‘শিকার’ এর প্রতিশব্দ হিসেবে ওই বানি (খরগোস) শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাবর আজমকে এ নিয়ে তিনবার আউট করলেন নাহিদ রানা। এখনো বাবরকে তার বানি বলার সময় হয়নি। তবে মাত্র ৪ ইনিংসে মুখোমুখি হয়ে তিনবারই শিকার বানানো তো ওই রকম কিছুরই ইঙ্গিত দেয়।

রানা নিজেও বলেছেন বাবরকে আউট করতে তার মজা লাগে। সবশেষ পাকিস্তান সফরে রাওয়ালপিন্ডিতে বাবরকে তিনি ইনিংসে দুবার আউট করেছিলেন। আরেক ইনিংসে বাবরের বিপক্ষে বল করার সুযোগই হয়নি, তার আগেই শরিফুল ইসলাম আউট করেছিলেন তাকে। আর চলতি সিরিজে সিলেটে বাবরকে পেয়েই তার উইকেট নিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে এসে এই সাফল্যে বেশ মজা পাচ্ছেন বলেও জানালেন রানা, ‘আসলে প্রত্যেকটা ব্যাটসম্যানকে আউট করতে মজা লাগে। কারণ প্রত্যেকটা উইকেটই আমার জন্য ইম্পর্টেন্ট এবং আমার দলের জন্য। একজন ব্যাটার অনেক ভালো এটা ভাবলে তো আপনি আউট করতে পারবেন না। আমি প্রসেসের মধ্যে থাকার চেষ্টা করি এবং চেষ্টা করি যে কীভাবে আমার পরিকল্পনা এক্সিকিউট করে আমার দলকে সহযোগিতা করতে পারি।’

শুধু গতি দিয়ে কাবু করা নয়। রানা বোলিংয়ে বৈচিত্র এনেছেন। সিলেটে ঘণ্টায় ১৪৯ কিলোমিটার গতির বল করে পরের বলে ১৪০-এ করেছেন। আবার রিভার্স সুইংও করাচ্ছেন। সব মিলিয়ে নিজের বোলিংকে অন্য পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছেন রানা।

তার কারণও আছে। আন্তর্জাতিক টেস্টে বল করবেন বৈচিত্র তো থাকবেই, ‘অবশ্যই, ভেরিয়েশন আনছি। আপনি যখন ভালো ব্যাটারের বিপক্ষে বল করবেন আপনাকে কোয়ালিটি বোলিংটাই করতে হবে। পেস বোলিং বা স্কিলের দিক থেকে একটু ভিন্নতা না আনলে ব্যাটাররা সহজেই আপনাকে খেলবে। তাই চেষ্টা করছি যতটা বৈচিত্র্য আনা যায়। আলহামদুলিল্লাহ, এখন সময়টা ভালো যাচ্ছে যা করতে চাচ্ছি তাই হচ্ছে।’