টেস্ট ম্যাচের চূড়ান্ত হিসেবটা আসে ছোট ছোট লড়াই, সেশন বাই সেশনের হিসেব কষার পর। সে হিসেবে বাংলাদেশ এগিয়েই আছে দ্বিতীয় দিনের দুই সেশন শেষে। প্রথম সেশনের পর দ্বিতীয় সেশনেও জিতেছে স্বাগতিকরা। আর তাতেই পাকিস্তান পড়ে গেছে বিশাল চাপে। ৫৫ ওভারে পাকিস্তানের রান দাঁড়িয়েছে ২০৬, হাতে আছে মাত্র ২ উইকেট।
দ্বিতীয় সেশনে লাঞ্চের পর ফিরেই দলকে আশা দেখাচ্ছিলেন বাবর আজম ও সালমান আগা। দুজনের জুটিতে এসেছিল ৫৫ রান। বাবর করেছিলেন ৬৩ বলে ফিফটি, যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩১তম। কিন্তু সেঞ্চুরির দিকে এগোতে পারলেন না। নাহিদ রানার মিডল স্টাম্পের ফুল লেংথ বলে ফ্লিক করতে গিয়ে মিড অনে ক্যাচ তুলে ৬৮ রানে ফেরেন বাবর। হতাশ মুখে মাঠ ছেড়ে যান পাকিস্তানের এই ভরসার ব্যাটসম্যান।
বাবরের পর সালমান আগাও বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না। তাইজুল ইসলামের বলে সুইপ করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে মুমিনুলের হাতে ক্যাচ দিলেন। ২১ রান করে ফিরলেন সালমান।
এরপর উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান রিজওয়ানের দিকে তাকিয়েছিল পাকিস্তান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ছয় উইকেট পড়ার পর লিটন দাস যেভাবে সেঞ্চুরি করে দল বাঁচিয়েছিলেন, রিজওয়ানের কাছ থেকে সেটাই প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু তাইজুলের বলে বোল্ড হয়ে মাত্র ১৩ রানে ফেরেন তিনি। তখন পাকিস্তান বাংলাদেশের চেয়ে ১০৪ রানে পিছিয়ে।
এরপর হাসান আলীও দলকে বিপদমুক্ত করতে পারেননি। তাইজুলের বলে লং অনে ক্যাচ দিলেন হাসান। সেই ক্যাচটি নিয়েছেন নাহিদ রানা, দুবার চেষ্টার পর দুই হাতে ধরেছেন। ১৮ রানে ফিরলেন হাসান।
এই সেশনে ২৫ ওভারে পাকিস্তান রান করেছে ১১০, কিন্তু হারিয়েছে চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। হাতে মাত্র দুটি উইকেট নিয়ে তৃতীয় সেশনে নামবে পাকিস্তান। বাংলাদেশ চাইবে যত দ্রুত সম্ভব ইনিংস গুটিয়ে ব্যাটিংয়ে নামতে।