Image description
 

নির্বাচনসংক্রান্ত আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনতে হাইকোর্টের একটি একক বেঞ্চ নির্ধারণ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে বেঞ্চ গঠনবিষয়ক এক আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে গিয়ে বেঞ্চ সম্পর্কিত তথ্যে দেখা যায়, ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) হাইকোর্টের একক দুটি বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি। ১৮ ফেব্রুয়ারি (গতকাল বুধবার) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বেঞ্চ দুটি গঠন করা হয়। পৃথক দুটি একক বেঞ্চের মধ্যে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চকে নির্বাচনী বিষয়াদি গ্রহণ ও শুনানির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বেঞ্চ গঠনসংক্রান্ত আদেশে দেখা যায়, অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের সঙ্গে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনকে নির্বাচনী বিষয়াদি গ্রহণ ও শুনানির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়, ২০০১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র; যেসব বিষয় এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদিসংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করবেন।

১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়। সেদিন রাতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯ আসনে জয়ী হয়েছে। দলটির জোটসঙ্গীসহ সব মিলিয়ে বিএনপি জোট ২১২টি আসন পায়। এদিকে জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়ী হয়েছে। জোটসঙ্গীসহ জামায়াত জোট ৭৭টি আসন পায়।

আইনসংশ্লিষ্টরা বলেছেন, গেজেট প্রকাশের পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে তিনি নির্বাচনী আবেদন করতে পারেন। ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের বিধান অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগে নির্ধারিত বেঞ্চে ওই আবেদন দায়ের করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই হাইকোর্টে এই দরখাস্ত করতে হবে।

শীর্ষনিউজ