ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন নীতির পরিবর্তন না করে কেবল নেতার পরিবর্তনের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষের কাঙ্ক্ষিত মুক্তি ও প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসা সম্ভব না।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পুরোনো নীতি ও বন্দোবস্ত পরিবর্তনের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছিলো। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো পুরোনো কায়েমি স্বার্থবাদকে টিকিয়ে রাখতে কাজ করছে।
পুরোনো বন্দোবস্তের বিরুদ্ধে জাতির লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশই এককভাবে লড়াই করে যাচ্ছে। সেই লড়াইয়ে আপনাদেরকে পাশে চাই।
চরমোনাই পীর বলেন, যারা দেশকে ভালোবাসেন, যারা নয়া বন্দোবস্ত চান তারা হাতপাখায় ভোট দিন। ইসলামী আন্দোলন ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি থাকবে না, সন্ত্রাস থাকবে না, চাঁদাবাজী থাকবে না। টাকা পাচার হবে না। ইসলামের মধ্যেই সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রয়েছে। ইসলাম সকলের জন্য আশ্রয়স্থল। নাগরপুর-দেলদুয়ারে হাতপাখার প্রার্থী আখিনুর সকলের জন্য আশ্রয়স্থল হয়ে দাড়াবে।
অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ইসলামী জনসভাগুলোতে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আন্দোলন বাংলাদেশের ইশতেহারের প্রতিপাদ্য ঘোষণা করা হয়েছে জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ। সর্বত্র শরীয়াহর প্রাধান্য, তারুণ্যের কর্মসংস্থান ও কর্মমূখি শিক্ষাব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিয়ে ইশতেহার তৈরি করা হয়েছে। অন্যদলের ইশতেহারের সাথে ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার পার্থক্য হলো, এই ইশতেহার ঘোষণা করেছে একজন পীর। একজন আলেম। তিনি কোনদিন কথার বরখেলাফ করেন নাই। ফলে তার কথার ওপরে জাতি আস্থা রাখতে পারে।
টাঙ্গাইল-৬ আসনের প্রার্থী আলহাজ্ব আখিনুর মিয়া তার বক্তব্যে বলেন, নাগরপুর দেলদুয়ার বরাবরই বঞ্চিত। আমি এমপি নির্বাচিত হলে এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হবে ইনশাআল্লাহ। দেশের প্রতি টাকা আপনাদের জন্য ব্যয় করা হবে, আমি দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেয়া হবে না। আমি সন্ত্রাস প্রশ্রয় দেবো না, কাউকে সন্ত্রাস করতে দেয়া হবে না। অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। তারুণ্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।
জনসভাগুলোতে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ, ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ছাত্রনেতা হোসাইন ইবনে সরোয়ার প্রমূখ।