Image description

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেছেন, সবার ঈমানী দায়িত্ব দাঁড়িপাল্লাকে জয়লাভ করানো। এই জয়লাভের মাধ্যমে আমরা আল্লাহকে খুশি করব। কবরে গিয়ে অ্যাটলিস্ট আল্লাহকে বলতে পারবেন, তোমার দিন কায়েমের জন্য দাড়িঁপাল্লায় ভোট দিয়েছি। আমরা দিন কায়েম করবো, দিনের পথে চলবো। জামায়াত ইসলামে যারা এখানে রয়েছে তারা আল্লাহর কাছে দায়বদ্ধ।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে নওগাঁ পৌরসভার আরজি-নওগাঁ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াত ইসলামীর নির্বাচনি সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘ভোট হচ্ছে আমানত। যে ভোট নিয়ে দেশের জন্য কাজ করবে না সে আমানত খেয়ানতকারী দাঁড়িপাল্লা ইনসাফের প্রতীক। আমরা সব সময় ন্যায় ও সৎ ব্যক্তির পক্ষে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত যে সব প্রার্থী রয়েছে তারা দেশের সেবক হবে। তারা গদিতে বসার জন্য দাঁড়িপাল্লায় প্রতীকে দাঁড়ায়নি। জামায়াতের ইসলামীর আমীর বলেছেন, ভোটের পরে জামায়াত ইসলামীর কেউ আমানত খেয়ানত করে তার কলিজা টেনে ছিঁড়ে ফেলে দেওয়া হবে এরকম কথা কোনো দলের নেতা বলেনি।

তিনি বলেন, নওগাঁতে যত প্রার্থী আছে, কেউ যদি দ্বীন কায়েমের কথা বললে তাকে ভোট দেবেন। কিন্তু যে দিন কায়েম করতে জানে না, তাকে যদি ভোট দেন তাহলে আপনি আমানতের খেয়ানত করলেন।

তিনি আরও বলেন, আগের সময়ে জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার বিএনপি ছিল। এখন যারা বিএনপি করছে, এই বিএনপি সেই বিএনপি না। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে কোনো চোরাকারবারি, চাঁদাবাজ ও অসৎ লোকের হাতে ক্ষমতা দিবোনা। কেউ ভোট চুরি করতে আসলে প্রতিহত করতে হবে। নিজে চুরি করবো না, কাউকে চুরি করতে দেব না। চাঁদাবাজদের বাংলাদেশ ঠাঁই হবে না।

শাহরিয়ার কবির বলেন, আমরা ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে। এদেশে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো। মুসলমান বলে ভারতে গিয়ে ক্রিকেট খেলতে পারবো না, আর সেই মুসলমান কথা বলবে না তাদেরকে ভোট দেবো, এর চেয়ে আর নাফরমানি কিছু হতে পারে না।

এসময় নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী আ স ম সায়েম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মহিউদ্দিন, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ৮ নং ওয়ার্ড যুব বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় অংশ নেয় শাহরিয়ার কবিরসহ জামায়াতের নেতৃবৃন্দরা।