Image description

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসলামী রাজনৈতিক অঙ্গনে জোটগত সমীকরণ যখন দ্রুত বদলাচ্ছে, ঠিক সেই সময়েই একটি তাৎপর্যপূর্ণ অনুপস্থিতি নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ইসলামীপন্থী ১১ দলের জোটের বৃহষ্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে অনুপস্থিত ছিল চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ—যাদের প্রতীক ‘হাতপাখা’।

রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে, বিএনপির পক্ষ থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে প্রায় ১০০টি আসনে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব—এই প্রস্তাবই কি ইসলামী জোটের সঙ্গে দলটির দূরত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে?

বিএনপির নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দলটি ঢাকা মহানগর বাদ দিয়ে সারা দেশে প্রায় ১০০টি সংসদীয় আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ছাড় দেওয়ার একটি প্রস্তাব দেয়। এই প্রস্তাব প্রকাশ্যে আসার পরপরই জামায়াত নেতৃত্বাধীন ইসলামী জোটের অভ্যন্তরে অস্বস্তি তৈরি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১১ দলের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অনুপস্থিতি চিলেন দলটি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম বডির একটি দায়িত্বশীল সূত্র আরটিএনএনকে জানায়, “বিএনপির পক্ষ থেকে আমরা ইতোমধ্যেই আগামী নির্বাচনে প্রায় ১০০টি আসনে সমঝোতার প্রস্তাব পেয়েছি। বিষয়টি দলীয় ফোরামে আলোচনা হচ্ছে।”

যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে দলটি এখনও কোনো জোটে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেয়নি, তবে এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট—বিএনপির সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের যোগাযোগ আর গোপন নেই।

১১ দলের সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অনুপস্থিতি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা না এলেও রাজনৈতিক মহলে একে নিছক কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে দেখছেন না কেউই।