অনুসন্ধান কার্যক্রমের গতিশীলতা আনা ও গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে ১৫টি বিশেষ টিম গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির একজন উপ-পরিচালককে প্রধান করে গঠিত প্রতিটি টিমের সদস্য সংখ্যা থাকছেন পাঁচজন করে। অর্থাৎ ১৫ টিমে মোট ৭৫ জন সহকারী ও উপসহকারী কর্মকর্তা কাজ করবেন বলে জানা গেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুদকের প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক নাজমুল হাসান সই করা চিঠির সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আদেশের চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন বিভাগের আওতায় চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রমের গতিশীলতা আনা ও গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য ১৫টি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। গঠিত ১৫টি অনুসন্ধান টিমে দুদক অনুমোদিত কার্যপরিধি অনুযায়ী কার্য সম্পাদন করবেন। উক্ত অনুসন্ধান টিম ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে।
টিমগুলো হলো- উপ-পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম, মো. রাশেদুল ইসলাম, মো. আতিকুল ইসলাম, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. মশিউর রহমান, মো. আল আমিন, মো. রাউফুল ইসলাম, মো. তাহসিন মুনাবিল হক, মো. নিয়ামুল আহসান গাজী, মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. মোজাম্মিল হোসাইন, এ কে এম মাহবুবুর রহমান, তানজির হাসিব সরকার এবং উপ-পরিচালক মো. সিফাত উদ্দিনের নেতৃত্বে বিশেষ টিম।
টিমের কার্যক্রম ও শর্তাবলির বিষয়ে জানা যায়, টিমের সদস্যরা যে উইংয়ের অধীনে গঠিত হয়, তার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবেন। টিম লিডারকে টিম সদস্যদের কন্ট্রোলিং অফিসার হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সে হিসেবে তিনিই সদস্যদের বার্ষিক এসিআর দেবেন। প্রতিটি টিমের জন্য টাইপিং দক্ষতা সম্পন্ন একজন কনস্টেবল বা সহায়ক কর্মী থাকবে।
টিম সদস্যদের চলমান তদন্ত ফাইলগুলি নিয়ে আসবেন। সব অনুসন্ধান টিমের কাছে হস্তান্তর করা হবে। চলমান তদন্ত ফাইলগুলোর মধ্যে তুলনামূলকভাবে কম অগ্রাধিকারমূলক অনুসন্ধানগুলো অন্যান্য দুদক কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে, যারা এই টিমের অংশ নন।
১৫টি টিমের টিম সদস্যরা চলমান যৌথ টিম ব্যতীত অন্য কোনো টিমের অংশ হবেন না। যদি কেউ এরইমধ্যে কোনো যৌথ টিমের সদস্য হন তাহলে হাই প্রোফাইল কাজের অনুসন্ধানের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সেই টিমের সঙ্গেই থাকবেন।