Image description

হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামী বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর বাৎসরিক আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ২৯২ টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক আমানত থেকে মুনাফা হিসেবে তিনি পেয়েছেন ২২ হাজার ৮৯২ টাকা। বাকি আয় এসেছে ব্যবসা ও কৃষিখাত থেকে। 

স্থাবর-অবস্থাবর মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৭৯ লাখ ৪৩ হাজার ৮৯২ টাকা।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় উল্লেখ করা আয় ও সম্পদের হিসাব অনুযায়ী, স্ত্রীর নামে কোনো অস্থাবর সম্পদ নেই। তবে নিজের নামে ৩১ ভরি স্বর্ণসহ প্রায় ৭০ লাখ ৪ হাজার ৮৯২ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দিয়েছেন তিনি।

স্বর্ণ ছাড়া অন্যান্য অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে, হাতে নগদ ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা, ব্যাংকে জমা ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬০৬ টাকা এবং ৫ লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র ও উপহার।

স্থাবর সম্পদ হিসেবে এলাকায় তার নামে রয়েছে ২৪৬ শতক জমি।

হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে মোট তিনটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি বিচারাধীন এবং একটি চার্জশিটের অপেক্ষায়। তিনি নিজেকে শিক্ষাগত যোগ্যতায় আলিম পাস হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

 

চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত হবিগঞ্জ-৪ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৪৫ হাজার ২৭২ জন।

এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪০ হাজার ৯০ জন, নারী ২ লাখ ৭১ হাজার ১৮০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন। এখানে ১৮৩টি স্থায়ী ভোটকেন্দ্র এবং ১ হাজার ১৬টি স্থায়ী ও ৪১টি অস্থায়ী ভোটকক্ষ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

 

এ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। 

তারা হলেন, বিএনপির এস এম ফয়সল, খেলাফত মজলিসের আহমেদ আব্দুল কাদের, ইসলামিক ফ্রন্টের মো. গিয়াস উদ্দিন, এবি পার্টির মোকাম্মেল হোসেন, মুসলিম লীগের শাহ মো. আল আমিন, বাসদের মো. মুজিবুর রহমান, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. রেজাউল মোস্তফা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমদ সাজন ও মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী।