ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাঁদপুর–৫ (হাজীগঞ্জ–শাহরাস্তি) আসনের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন প্রধানিয়া। তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।
এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি মনোনয়ন বাতিলের কবলে পড়েন। ওই সময় তিনি আওয়ামী লীগ থেকে এ আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। সে সময় দৈত ভোটারের কারণে তার মনোনয়ন বাতিল হয়।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, জাকি হোসেন প্রধানিয়া জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সমর্থিত একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও নির্ধারিত তারিখে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তিনি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সব বিধি–বিধান ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেন।
মনোনয়নপত্র জমা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকরা তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে তিনি শুরুতে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছিলেন। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগ থেকে সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম রীর উত্তমকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এর পরপরই রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জাকির হোসেন প্রধানিয়ার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
এদিকে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে জাকির হোসেন দাবি করে আসছেন, তিনি আওয়ামী লীগের সব দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তবে সাংবাদিকরা তার কাছে পদত্যাগপত্র দেখতে চাইলে তিনি তা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন।
এদিকে চাঁদপুর-৫ আসনে বাকি মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে রিটানিং কর্মকর্তা। তারা হলেন- বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মমিনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আবুল হোসাইন, জাতীয় পার্টির মির্জা গিয়াস উদ্দিন, ইসলামীক ফ্রন্ট বাংলাদেশের বাহাদুর শাহ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ মাহমুদ হাছান নয়ন, ব্যারিস্টার কামাল (উদ্দিন স্বতন্ত্র), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আলী পাটোয়ারী, এলডিপির ড. নেয়ামুল বশির।