Image description

বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্রের বৈধতা পেতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপি থেকে পদত্যাগ করা ডা. তাসনিম জারা। একইসঙ্গে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন। তাসনিম জারা বলেছেন, ‘ঢাকা-৯ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলাম। সেটি গ্রহণ হয়নি। তাই আমরা আপিল করছি। মনোনয়নপত্রের বৈধতা পেতে আমরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।’

আজ সোমবার রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন ভবনে ঢাকা অঞ্চলের বুথে আপিল আবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জারা। তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন মাত্র দেড় দিনের মাথায় প্রায় ৫ হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের স্বাক্ষর দিয়েছেন। অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন, নিজেরাই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বুথ করেছেন, ভলেন্টিয়ারিং করেছেন। এইটার প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা আমাদের আইনি লড়াই চালিয়ে যাব। যারা স্বাক্ষর করেছেন এত অল্প সময়ে, তারা চান আমি যাতে নির্বাচনে কনটেস্ট করতে পারি। সেজন্য আমরা আপিল করেছি এবং আমরা আইনি প্রক্রিয়ার লড়াইটা চালিয়ে যাব।’

 
 

এদিকে জারার আইনজীবী আরমান হোসেন বলেন, ‘আইনগতভাবে আমরা আপিলে জয় পাব এবং ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে তাসনিম জারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।’

এর আগে শনিবার ঢাকা জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। সেদিনই আপিল করার কথা জানান তরুণ এই চিকিৎসক। আপিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন বলেও জানান। সে সময় মনোনয়নপত্র বাতিলের কারণ হিসেবে জারা জানান, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট আসনের মোট ভোটারের ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর নিতে হয়। এই এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের চেয়েও আমি প্রায় ২০০ বেশি স্বাক্ষর জমা দিয়েছি। সেখান থেকে নির্বাচন কমিশন ১০ জনের তথ্য যাচাই করতে গিয়েছিলেন, তার মধ্যে ৮ জনের তথ্য সঠিক পেয়েছেন। বাকি ২ জনের সত্যতা পাওয়া গেছে, তবে ওই দুজন ঢাকা-৯ এর ভোটার নন। যদিও তারা জানতেন ঢাকা-৯ এর ভোটার। তাদের ঠিকানা খিলগাঁও হলেও এলাকার কিছু অংশ ঢাকার আরেকটি আসনের সঙ্গে যুক্ত।’

 

গত ২৭ ডিসেম্বর এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিবের দায়িত্বে থাকা তাসনিম জারা। ওইদিন সন্ধ্যায় ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, কোনো নির্দিষ্ট দল বা জোটের প্রার্থী হিসাবে নয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে তিনি ঢাকা-৯ থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন।