সাত বছরের ব্যবধানে রাজধানীর চকবাজারে দুটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো। ২০১৯ সালে চুড়িহাট্টার ভয়াবহ অভিজ্ঞতা আবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছে মনসুর খান প্লাজার অগ্নিকাণ্ড। মনসুর প্লাজার আগুন ১২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে আনা গেলেও পুড়ে গেছে কয়েক কোটি টাকার পণ্য। সাততলা ভবনটি থেকে এসব পণ্য পোড়ার ধোঁয়া এখনো বের হচ্ছে। সবমিলিয়ে বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের কথা জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে, আগুন নেভাতে ভয়াবহ বেগ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় দায়িত্ব পালন করা ফায়ার সার্ভিসের প্রথম সারির কর্মীরা বলছেন, গোডাউনের ভেতরে প্লাস্টিকের ব্যাগ থাকায় আগুনে পানি দিলেও আগুন নেভানো কষ্টসাধ্য হয়ে যায়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চকবাজারের ভবনটি পর্যবেক্ষণ করেছে জাগো নিউজ। এ সময়ের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক কর্মকর্তা ও ক্ষতিগ্রস্তদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে যাতে উঠে এসেছে ব্যবসায়ীদের আর্তনাদ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ভয়াল অভিজ্ঞতার কথা।
স্থানীয় ও ব্যবসায়ীরা জানান, ভবনটির ওপরের দুটি ফ্লোরে ছিল ব্যাগ ও কসমেটিকস পণ্যের গোডাউন। তবে, আগুন পুরোপুরি না নেভায় ভেতরের পরিস্থিতি দেখা সম্ভব হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনের সামনে থাকা সড়কটির দুপাশে ব্যারিকেড দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওয়াসার গাড়ি দিয়ে আনা পানি দিয়ে আগুন নেভাতে কাজ করে চলেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। একই সঙ্গে ভবনের নিচতলা থেকে মালামাল সরানোর চেষ্টা করছেন দোকানমালিকদের কেউ কেউ। এরই মধ্যে ভবনের ওপরতলার জানালা থেকে কয়েক দফা গ্লাস ভেঙে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে।
দুপুর দেড়টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বরত কর্মী মো. উদয়ের সঙ্গে কথা হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করে বের হয়েছেন তিনি। ভেতরের আগুন পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে উদয় বলেন, প্লাস্টিকের আগুন। ভেতরে প্লাস্টিকের ব্যাগ ছিল। আগুন নেভাতে পানি মারলে প্লাস্টিকের ব্যাগগুলো পুড়ে শক্ত হয়ে যায়। নিচে পানিও যায় না। আগুনও নিভতে চায় না। পানি যতক্ষণ মারি ততক্ষণ আগুন নিয়ন্ত্রণে থাকে। পানি বন্ধ করলেই আগুন জ্বলে ওঠে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক (নারায়ণগঞ্জ) ওসমান গনী বলেন, ভবনের ভেতরে প্রচুর ধোঁয়া জমে থাকায় প্রথমে ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। অক্সিজেন সিলিন্ডার ছাড়া ভেতরে প্রবেশ করে কাজ করাও সম্ভব হচ্ছে না। এসব কারণে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণে বেশি সময় লাগছে।
তিনি বলেন, আগুন নেভানোর জন্য পানির সংকট রয়েছে। আশপাশের বিভিন্ন ভবনের রিজার্ভার থেকে পানি সংগ্রহ করা হচ্ছে। একটি ভবনের রিজার্ভারের পানি শেষ হয়ে গেলে অন্য ভবন থেকে পানি নেওয়া হচ্ছে। আশপাশে পুকুর না থাকায় দূরদূরান্ত থেকে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। ওই ভবনেই এসএম ব্যাগের দোকান ছিল সালাউদ্দিনের। তবে, নিচতলায় দোকান থাকায় তার দোকানটি আগুন থেকে রক্ষা পেয়েছে।
সালাউদ্দিন বলেন, আমাদের দোকানের ব্যাগগুলো আগুনে পোড়েনি কিন্তু পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। গতকালই মালামাল নিয়েছি। এখন পানিতে সব নষ্ট হয়ে গেল।
তিনি বলেন, ভবনটি সাততলা। ছয়তলায় গুদাম সব পুড়ে গেছে। এখানে বেশির ভাগই ব্যাগের দোকান ছিল। এর মধ্যে বেশির ভাগই পাইকারি দোকান।
নিচতলায় ব্যাগের দোকানের পাশাপাশি ছয়তলায় গুদাম ছিল ব্যবসায়ী মো. খোরশেদের। তিনি বলেন, আমার দোতলায় এফএম লেদারের দোকান এবং ছয়তলার গোডাউন ছিল। সেখানে ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকার মালামাল ছিল। সবই পুড়ে গেছে। আগুন ছয়তলায় লেগেছে। গুদাম থেকে কোনো মালামাল সরাতে পারিনি। আমার সব মালামাল পুরে গেছে। আমার সব শেষ হয়ে গেছে।
একই মার্কেটের নিচতলার আরেক দোকানমালিক মোহাম্মদ ইমতিয়াজ। তিনি বলেন, আমাদের মার্কেটে কোটি কোটি টাকার মালামাল রয়েছে। ব্যবসায়ীরা অনেক মালামাল নিয়ে এসেছে। সব পুড়ে শেষ হয়ে গেছে।
এছাড়া আগুন নেভাতে এত সময় লাগার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন ইমতিয়াজ। আগুন নির্বাপণে ফায়ার সার্ভিসের কোনো গাফিলতি রয়েছে কি না তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানান তিনি।
একই ভবনের আরেক গুদামের মালিক মো. রবিন। তিনি বলেন, যখন আগুন লাগে তখন আমরা আগুন নেভানোর জন্য পানি দেওয়ার পরও দেখি আগুন আরও বেড়ে যাচ্ছে। পরে কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। আমি নিজেও তখন ওই ভবনে আটকে যাই। শ্বাস নিতে পারছিলাম না, চোখেও কিছু দেখতে পারছিলাম না।
এসময় তিনি বলেন, গতকাল বিকেল ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার দিকে আগুন লাগে। সারারাত পানি দেওয়া হয়েছে। পুরো মার্কেট পানিতে ভরে গেছে কিন্তু তারপরও পুরোপুরি নেভেনি।
এদিকে, ভবন নির্মাণে অনুমোদন ও ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন ছিল কি না সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুনের সুত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তদন্তের পর জানানো সম্ভব হবে।
এদিন বেলা ১১টার পর চকবাজারের মনসুর খান প্লাজার সামনে আগুনের ঘটনায় এক সংবাদ সম্মেলনে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান বলেন, চকবাজারের মনসুর খান প্লাজার আগুন বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে গুদামে থাকা মালামাল সরানো এবং আগুন পুরোপুরি নির্বাপণের কার্যক্রম চলছে। আগুনে ছয়তলায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাততলায় সামান্য ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্য আহত হয়েছেন।
তিনি বলেন, গতকাল বিকেল ৫টা ৪ মিনিটে চকবাজারের মনসুর খান প্লাজায় অগ্নিকাণ্ডের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। খবর পাওয়া মাত্রই লালবাগ থেকে দুটি ইউনিট, সদর দপ্তর সিদ্দিকবাজার থেকে দুটি ইউনিট এবং পলাশী থেকে আরও দুটি ইউনিটসহ মোট ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছয় ও সাততলায় প্রচণ্ড ধোঁয়া ও তাপ দেখতে পান এবং ফায়ার সার্ভিসের কৌশল প্রয়োগ করে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ছয়তলায় থাকা গোডাউনগুলোতে শাটার ও তালা লাগানো ছিল। প্রতিটি গোডাউনে চার-পাঁচটি তালা ছিল। ভেতরে ক্রসফায়ার গেটেও তালা লাগানো ছিল। প্রচণ্ড ধোঁয়া ও তাপের মধ্যে এসব তালা কেটে আগুন নেভানোর কাজ করতে হয়েছে।
ভোর ৫টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে জানিয়ে তিনি বলেন, আগুন নেভানোর ক্ষেত্রে কয়েকটি চ্যালেঞ্জ ছিল। এর মধ্যে প্রথমটি ছিল যানজট। চকবাজারের রাস্তা অত্যন্ত সরু হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে। বিশেষ করে, তখন পিক আওয়ার থাকায় যানজট বেশি ছিল। দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ ছিল ভবনের ভেতরে জমে থাকা ধোঁয়া বের হওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকা। ছয় ও সাততলার ধোঁয়া বের হওয়ার পথ না থাকায় প্রচণ্ড তাপ ও ধোঁয়ার মধ্যে ফায়ারফাইটারদের কাজ করতে হয়েছে। শাটারের তালা কেটে আগুন নেভানোর কার্যক্রম চালাতে হয়েছে।
পানির সংকটের কথা উল্লেখ করে কাজী নজমুজ্জামান বলেন, আশপাশে থাকা পানির রিজার্ভগুলো শেষ হয়ে যাচ্ছিল। এ কারণে পাম্প ও রিজার্ভার পরিবর্তন করে অন্য রিজার্ভার থেকে পানি নিয়ে আগুন নেভানোর কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ভবনের ভেতরে এখন আর আগুন নেই। তবে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মালামাল গোডাউনভর্তি থাকায় সেগুলো সরানো হচ্ছে এবং পানি দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে মাঝে মাঝে ধোঁয়া বের হচ্ছে। আগুন নির্বাপণের কার্যক্রম এখনো চলমান। বিভিন্ন গোডাউন পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। মালামাল সরানো না হলে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা সম্ভব হবে না। কারণ, মালামালের নিচে থাকা তাপ ও ধোঁয়া থেকে আবার আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ কারণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।
বর্তমানে আগুন নির্বাপণে ছয়টি ইউনিট কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, মালামাল সরানো ও পানি দেওয়ার কাজ চলছে। আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ না করে ফায়ার সার্ভিস চলে গেলে আবার আগুন জ্বলে উঠতে পারে।
কাজী নজমুজ্জামান বলেন, মনসুর খান প্লাজার ছয়তলায় ১২ থেকে ১৪টি বড় গোডাউন রয়েছে। এর মধ্যে সাত থেকে আটটি গোডাউনে আগুন লেগেছিল। এসব গোডাউনে ছাতা, কসমেটিকস, আতরের বোতল, আতরসহ বিভিন্ন ধরনের মালামাল ছিল। গোডাউনগুলো মালামালে পূর্ণ থাকায় সেগুলো সরিয়ে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করতে সময় লাগছে।
ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তিনি বলেন, কত টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষ বলতে পারবে। এটি নির্ধারণ করতে কিছুটা সময় লাগবে।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে কাজী নজমুজ্জামান বলেন, আগুন নির্বাপণের কার্যক্রম চলমান থাকায় এখনই এর কারণ বলা সম্ভব হচ্ছে না। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তের পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত যাদের সঙ্গে কথা হয়েছে তারা কেউই আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। ভবনে বিদ্যুতের লাইন থাকায় শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার সম্ভাবনা থাকতে পারে। তবে, তদন্তের পরই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। মনসুর খান প্লাজার সঙ্গে আরও তিন থেকে চারটি মার্কেট যুক্ত রয়েছে। আশপাশের ভবন ও দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল। তবে, অন্য ভবন ও দোকানগুলো অক্ষত রাখতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।
মানুষের আশঙ্কা অনুযায়ী পুরো মার্কেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে আশপাশের মার্কেটগুলোকে বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। আগুন নেভানোর সময় প্রচণ্ড তাপ ও ধোঁয়ার মধ্যে ফায়ারফাইটাররা কাজ করেছেন। একজন সদস্য ১৫ থেকে ২০ মিনিট কাজ করার পর তাকে সরিয়ে অন্য সদস্যকে পাঠানো হয়েছে। এভাবে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জনবল নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ করা হয়েছে।
আগুন নেভাতে শুধু পানি ব্যবহার করা হচ্ছে কি না- এমন এক প্রশ্নের জবাবে কাজী নজমুজ্জামান বলেন, আগুনের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী এটি সলিড ফায়ার। এ ধরনের আগুন নির্বাপণের উত্তম মাধ্যম হলো পানি। কোনো পেট্রোল পাম্পে বা অন্য কোনো জ্বালানিতে আগুন লাগলে ফোম ব্যবহার করা হতো। কিন্তু এটি সলিড ফায়ার হওয়ায় আগুন নেভাতে পানি ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রচণ্ড ধোঁয়া ও তাপের মধ্যে কাজ করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। ফায়ার সার্ভিসের নির্ধারিত কৌশল প্রয়োগ করে কমসংখ্যক সদস্যকে আহত হওয়ার বিনিময়ে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণের চেষ্টা করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ৪ মিনিটে চকবাজারের ছোট কাটারা এসি মসজিদ সংলগ্ন মার্কেটটিতে আগুন লাগার খবর পায় সংস্থাটি। বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে ধাপে ধাপে ইউনিটের সংখ্যা বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, মার্কেটের ষষ্ঠতলায় বিভিন্ন পণ্যের গুদাম ছিল। এসব গুদামের দরজা ও শাটার তালাবদ্ধ থাকায় ভেতরে প্রবেশ করে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়। তালা ও শাটার ভেঙে প্রবেশের পর আগুনের উৎস এবং বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়া আগুন মোকাবিলা করতে হয়েছে।
একই সঙ্গে ভবনের ভেতরে ধোঁয়া বের হওয়ার পর্যাপ্ত পথ না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ঘন ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে।
