Image description

গণতন্ত্রের নামে ফেসবুকে গালিগালাজকে নিয়ন্ত্রণ করতে নতুন আইন তৈরির ইঙ্গিত দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, আমরা যে ইদানিংকালে দেখছি ফেসবুক বা অন্য জায়গাতে গণতন্ত্রের নামে গালিগালাজ (অবিউসিভ ল্যাঙ্গুয়েজ) বা যা যা হচ্ছে, এই জিনিসগুলিকে আমরা কিভাবে আইনের মধ্যে আনতে পারি, একই সঙ্গে মতপ্রকাশ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়- সেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ইদানীং ফেসবুক বলেন বা সব জায়গায় দেখছি- গণতন্ত্রের নামে গালিগালাজ, গালিগালাজের ভাষা বা যা যা হচ্ছে, এই জিনিসগুলোকে আমরা কীভাবে আইনের মধ্যে আনতে পারি, একই সময়ে আমরা কীভাবে এক্সপ্রেশন, মানে মিডিয়ার যে ফ্রিডম, সেটাকেও রেসপেক্ট করতে পারি- দুটির মধ্যে যেন কোনোভাবে কনফ্লিক্ট না হয়, এ ব্যাপারেই আমরা বারবার কথা বলার চেষ্টা করছি।’

নতুন আইন কাউকে দমন বা কণ্ঠরোধের জন্য করা হচ্ছে না জানিয়ে আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, বিষয়টি এখনো খসড়া প্রণয়ন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে এমনভাবে আইনটির খসড়া তৈরির চেষ্টা চলছে, যাতে ভবিষ্যতে এর অপব্যবহারের সুযোগ না থাকে।

এ সময় সামাজিক সচেতনতার ওপরও গুরুত্ব দেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের সোশাল অ্যাওয়ারনেস খুব গুরুত্বপূর্ণ এই ব্যাপারগুলোতে। যেকোনো কনন্টেন্ট পেলেই শেয়ার করে দেওয়া, মানহানিকর বক্তব্য বা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানহানিকর তথ্য পুনরায় প্রচার- এটাও একটা মানহানিকর বিষয়। এই ব্যাপারগুলো জাতিকে বা মানুষকে বুঝানো, বলার ব্যাপারেও একটা প্রোগ্রাম নিব।’

তিনি মনে করেন, শুধু আইন করলেই হবে না; সামাজিক অপরাধ ও অনলাইন আচরণ নিয়েও মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন সেক্টরের যারা আছেন তাদের সঙ্গে কথা বলছি, যেন ড্রাফটটা এমনভাবে হয়, এটা দিয়ে ভবিষ্যতে এবিউজ করার কোনো কিছু না থাকে।’