রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন নারী শিক্ষার্থীদের ফুল ও উপহার সামগ্রী দিয়ে বরণ করে নিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমপ্লেক্সে ‘নবীন সংবর্ধনা ’২৬’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভানেত্রী সাইয়িদা হাফছা। স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
আয়োজকরা জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নবীন ছাত্রীদের স্বাগত জানাতে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়জীবন ও ভবিষ্যৎ পথচলা সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।
নতুন পরিবেশের সঙ্গে নবীন শিক্ষার্থীদের মানিয়ে নিতে সহায়তা করা এবং তাদের ভবিষ্যৎ পথচলাকে আরও সহজ ও সুন্দর করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া নবীন শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন পর্বে অংশ নেন এবং পুরো আয়োজন উপভোগ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সাইয়িদা হাফছা বলেন, ‘আজকে আমরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন ছাত্রীদের নতুন ক্যাম্পাসে স্বাগত জানাতে নবীন সংবর্ধনার আয়োজন করেছি। প্রতিবছর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা নবীনদের নিয়ে এ ধরনের আয়োজন করে থাকে।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারের আয়োজনেও নবীনদের জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনার পাশাপাশি ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও সাংস্কৃতিক আয়োজন ছিল। শিক্ষার্থীরা পুরো আয়োজন উপভোগ করেছে। আজকের এ আয়োজন তাদের পরবর্তী পথচলাকে সহজ ও সুন্দর করবে বলে প্রত্যাশা করছি।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার রাজশাহী অঞ্চলের সহকারী ও কেন্দ্রীয় পরামর্শ সভার সদস্যা মাহমুদা খাতুন, ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ, রাজশাহীর অধ্যক্ষ ডা. ফাতেমা সিদ্দিকা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রহমতুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ ও ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমত আরা কল্পনা, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. শারমিন সুলতানা এবং ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রভাষক আতকিয়া আনতারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়জীবন, ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত উন্নয়ন নিয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।