Image description

কৃষি খাতের উৎপাদন বাড়ানো, খাদ্য নিরাপত্তা সুসংহত করা এবং পল্লী অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে হিমাগার নির্মাণ, ডেইরি ও পোল্ট্রি খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে এই ঋণ বিতরণ করা হবে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মোসা. ফরিদা ইয়াসমিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিকাল সাড়ে ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।

লিখিত প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই ঋণের আওতায় পোল্ট্রি ও ডেইরি ফার্ম প্রতিষ্ঠা এবং গুদামজাত বা হিমাগারে সংরক্ষিত কৃষিপণ্যের বিপরীতে নিয়ম মেনে ঋণ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

 

মন্ত্রী জানান, দেশের উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গত ৬ জুলাই জারি করা এসিডি-১ সার্কুলার নম্বর-২-এর মাধ্যমে ৩ হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে।

এই তহবিলের আওতায় আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব হিমাগার নির্মাণসহ শস্য ও ফসল, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, কৃষি ও সেচ যন্ত্রপাতি এবং আয় উৎসারী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সার্বিক কৃষি মূল্য শৃঙ্খলে ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

এর পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন বাড়ানো এবং পল্লী অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ৮ জুন জারি করা এসিডি সার্কুলার নম্বর-০১-এর মাধ্যমে গঠিত ১০ হাজার কোটি টাকার আরেকটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ব্যাংকিং খাতের মাধ্যমে পল্লী ঋণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

সরকার মনে করছে, এসব তহবিলের সঠিক ব্যবহার গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা সুসংহত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।