Image description

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনের সড়কে ‘শাকসু পুনরুদ্ধার আন্দোলন’ ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার বিন সেলিম বলেন, ‘বর্তমান প্রশাসন এবং নির্বাচিত সরকার কথায় কথায় গণতন্ত্রের কথা বলে। কিন্তু তাদের কাছে কি গণতন্ত্রের অর্থ শুধুমাত্র ৩০০ আসনের সংসদীয় নির্বাচন? একটি দেশের জনগণের ভোটাধিকার থাকলে সেই দেশের শিক্ষার্থীদেরও তো গণতান্ত্রিকভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার থাকা উচিত। কিন্তু তারা সেটি বাস্তবায়ন করছেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা যদি সত্যিই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, তাহলে সব জায়গাতেই এর চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু একদিকে গণতন্ত্রের কথা বলা, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে পদে পদে বাধাগ্রস্ত করা এক ধরনের মুনাফেকী।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব রিয়াজ হোসেন রিমন বলেন, দেশের মানুষ দেখেছে শাকসু নির্বাচন বন্ধের জন্য কোন রাজনৈতিক সংগঠন হাইকোর্ট ঘেরাও করেছে, কারা রিট করেছে, কারা শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনে সহযোগিতা করবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে। বর্তমান প্রশাসনে যারা বিভিন্ন পদে রয়েছেন, তারাই একসময় শাকসু বানচালে জড়িত ছিলেন।

শাখা ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক শাকিল মাহমুদ বলেন, গত ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে একদিন আগে হাইকোর্টের নির্দেশে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। আমরা গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকার ও প্রশাসনের কাছে আশা করেছিলাম শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করবেন। আমরা আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেছিলাম এবং আশা করেছিলাম কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন হবে। কিন্তু প্রশাসন সেই বিশ্বাস রাখেনি।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন শাখা ইনকিলাব মঞ্চের সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, শাখা ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আজাদ শিকদার এবং ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মাহবুবুল ইসলাম পবন প্রমুখ।