ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘শহীদ ওসমান বিন হাদি আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে ইনসাফের জন্য লড়াই করতে হয়, কীভাবে আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলতে হয় এবং কীভাবে মাফিয়াতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সমাজে ন্যায়ভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হয়। তার কণ্ঠে উচ্চারিত কথাগুলো ইনসাফভিত্তিক একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়েরই বহিঃপ্রকাশ।’
শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির বক্তব্য সংকলন ‘বারুদমাখা কথামালা’ বইয়ের বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। ইনসাফভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সাদিক কায়েম। ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ এই সংকলনটি সম্পাদনা করেন।
সাদিক কায়েম উল্লেখ করেন, ‘যারা শহীদ ওসমান হাদিকে হত্যা করেছে, তারা ভেবেছিল একজন হাদিকে হত্যার মাধ্যমে আধিপত্যবাদী শক্তি ও তাদের এদেশীয় দোসর ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে তরুণদের লড়াই চিরতরে থেমে যাবে। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ হবে না; ইনসাফভিত্তিক এবং বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই-সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।’
শহীদ ওসমান বিন হাদিকে দেশের মানুষের প্রেরণার বাতিঘর উল্লেখ করে ডাকসু ভিপি বলেন, তার আদর্শ ও চিন্তা বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইলজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং আগামী প্রজন্মের মাঝে তিনি তার কর্মের মাধ্যমে সর্বদা বেঁচে থাকবেন। শহীদ হাদির চিন্তা ও বয়ান দেশব্যাপী ছাত্র-জনতার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এই গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
বাণীর শেষে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির রুহের মাগফিরাত কামনা করে এই সংকলন গ্রন্থের সর্বাঙ্গীন সাফল্য ও সহযোগিতা কামনা করেন ডাকসু সহ-সভাপতি সাদিক কায়েম।