ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের সময় তদন্ত কমিটি, প্রক্টরিয়াল টিম ও হল সংসদের সদস্যদের মধ্যে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটেছে হয়েছে। তদন্ত ফুটেজ গায়েব করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেছেন হল সংসদের ভিপি খন্দকার মো: আবু নাঈম।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রোভোস্ট রুমে এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনার বিষয়ে হল সংসদের ভিপি বলেন, ‘ফজলুল হক মুসলিম হলে প্রক্টোরিয়াল টিম ফুটেজ গায়েব করার চেষ্টা করছে। ফজলুল হল মুসলিম হল সংসদের ভিপি হিসাবে বলতে চাই, সিসিটিভি ফুটেজের কপি না দিয়ে প্রক্টরিয়াল টিম যেতে পারবে না। তারা তদন্তের নামে তালবাহানা ও ফুটেজ গায়েব করার পায়তারা করছে। এই ফুটেজ আমাদের লাশের উপর দিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতন স্টার নিউজকে বলেন, ‘উপাচার্য মহোদয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্য ও প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা তদন্তের স্বার্থে এটি সংরক্ষণ করার জন্য আমরা আসি। এখানে হল সংসদের নেতারা ও শিক্ষার্থীরা দাবি করে যে একটা ফুটেজের একটা কপি তাদের দিতে হবে। পরবর্তীতে কেন তালা খোলা হলো, কেন নেয়া হবে এসব নিয়ে কথায় বাদানুবাদ হয় এবং আমাদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করে। তারা সিদ্ধান্ত নেয় যে আমাদের এক কপি না দিয়ে এখান থেকে যাওয়া যাবে না।’
তদন্তের আগে ভিডিও ফুটেজ দেয়া যাবে না জানিয়ে প্রক্টর বলেন, ‘আমরা ভিডিও ফুটেজটি কপি করেছি। কিন্তু এটা আমরা সংগ্রহ করেছি তদন্তের স্বার্থে। কোনও অভিযোগ আসলে এটা কি তদন্তের আগে জনসম্মুখে আনা যায়? আর এটা তো ক্লিপ না, এটি বড় একটি অংশ। অনেক ঘটনাই তো ঘটে গেছে এই কয়দিনে।’
পরবর্তীতে তাদেরকে বুঝিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে এনেছেন বলেও জানিয়েছেন প্রক্টর ইসরাফিল রতন।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে ফেসবুকে পোস্ট শেয়ার করাকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ ওঠে ওই হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুনের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার তদন্তের জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।