Image description

ছাত্রশিবির গুপ্ত রাজনীতির কৌশল পরিহার করে গণতান্ত্রিক চর্চা শুরু করলে সেটা তাদের জন্য মঙ্গল হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। একই সঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ছাত্র রাজনীতি হোক আগামীর নেতৃত্ব বিকশিত ও সচেতন নাগরিক তৈরি করার প্লাটফর্ম। 

 

গতকাল ও আজ রাজধানীসহ দেশের একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষের কথা উল্লেখ করে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। 

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “গতকাল রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত লোকজন নিয়ে গিয়ে ছাত্রদলের উপরে হামলা করে নগ্ন উল্লাস করেছে জামায়াত-শিবির। জামায়াতের লোকজন গতকাল এই প্রক্রিয়ায় ছাত্রদলকে ক্যাম্পাস ছাড়া করার মিশন নিয়েছে। আজকেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করে নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের অহেতুক চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাদের এই চেষ্টা যে তাদের নিজেদের জন্য সর্বনাশ ডেকে আনবে, সেটি হয়তো তারা বোঝে নাই। 

“আমরা মনে করি, সারা বাংলাদেশে শান্তি ও সহাবস্থান জরুরি। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে ছাত্রদলকে নানা ট্যাগিং করে ক্যাম্পাসের কার্যক্রম থেকে দূরে রেখে নিজেদের গুপ্ত রাজনীতির বিস্তার ঘটাচ্ছে শিবির। কিন্তু তাদের এই অপচেষ্টাকে এখনই থামিয়ে দিয়ে ক্যাম্পাসে সৃজনশীল রাজনীতির চর্চা, রাজনৈতিক বিতর্ক, সেমিনার শুরু করা জরুরি।  

“ছাত্র রাজনীতি হোক আগামীর নেতৃত্ব বিকশিত ও সচেতন নাগরিক তৈরি করার প্ল্যাটফর্ম। ছাত্রশিবির গুপ্ত রাজনীতির কৌশল পরিহার করে গণতান্ত্রিক চর্চা শুরু করলে সেটা তাদের জন্য মঙ্গল হবে।” 

 

পোস্টের শেষে তিনি উল্লেখ করেন, “তারা যদি মনে করে, সাইবার জগতে ভিন্নমতকে গালিগালাজ করলেই তারা জয়ী হয়ে যাবে, তাহলে ভুল করবে। বরং গণঅভ্যুত্থানের পরে পরিশুদ্ধ, সহনশীল ও সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রয়োজন ছিল।”