Image description

শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ীসহ ১২৩০ জন বিশিষ্ট নাগরিক ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সমলিঙ্গের বিয়ের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ‘মূল্যবোধ আন্দোলন’-এর মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মাদ সাদাত প্রেরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আইন ও সমাজের নিয়মের বাইরে সমলিঙ্গের বিয়ের একটি ঘটনা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। কামাল হোসেন নামক এক পুরুষ নিজেকে ট্রান্সজেন্ডার বা রূপান্তরিত নারী দাবি করে অন্য এক পুরুষের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। অথচ দেশের সংবিধান বা আইনে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ বা ‘ট্রান্সজেন্ডার নারী’ বলে কোনো লিঙ্গের স্বীকৃতি নেই। এছাড়া দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা অনুযায়ী সমকামিতা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এতে আরও বলা হয়, রাজধানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ ধরনের ঘটনা ঘটার পরেও এক সপ্তাহের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ৯২ শতাংশ মুসলিম-অধ্যুষিত দেশের সাধারণ মানুষ ধর্ম ও মূল্যবোধের প্রশ্নে সংবেদনশীল উল্লেখ করে বিবৃতিতে অবিলম্বে এ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী ১২৩০ জনের মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপকসহ শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম ও পেশাজীবীরা রয়েছেন। স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন, ড্যাফোডিল ইসলামিক সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মোখতার আহমাদ, মসজিদ উত তাকওয়া সোসাইটির খতীব মুফতি সাইফুল ইসলাম, শায়খ আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ, আইইউবির প্রফেসর ও মূল্যবোধ আন্দোলনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক আসিফ মাহতাব উৎস, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার, সাবেক সচিব নুরুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর জুলফিকার হাসান খান, বুয়েটের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানভীর পারভেজ এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ মাকসুদ হোসেনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট নাগরিকরা এ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন।