Image description

২৮ জুলাই বাংলাদেশের মূলধারার বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে যেখানে দাবি করা হয়েছে, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদের সাথে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভুয়া ছবি ও ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। কথিত ভুয়া ছবির একাধিক স্ক্রিনশটও আংশিকভাবে প্রচার করা হয়েছে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে।

দৈনিক কালবেলা এই খবরের শিরোনাম করেছে, “‘শিবির মিডিয়া সেল’ পেজে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের ভুয়া ভিডিও”।

কালবেলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “শিবির মিডিয়া সেল’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদকে জড়িয়ে ভুয়া ছবি ও ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে। পেজটির আগের পোস্টগুলোর অধিকাংশই জামায়াত-শিবিরের প্রশংসামূলক। অশ্লীল ভঙ্গিমার ভিডিওগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অন্যের শরীরে প্রতিমন্ত্রীর মাথা জুড়ে দিয়ে কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে। ঠোঁট নাড়ানোর কিছু দৃশ্য আবার এআই নির্মিত।”

দৈনিক দেশ রূপান্তরের শিরোনাম, “বিএনপির এমপি ফরহাদ হোসেনের ভুয়া ভিডিও ভাইরাল”।

বাংলানিউজ শিরোনাম করেছে, “প্রতিমন্ত্রী ফরহাদকে নিয়ে ‘শিবির মিডিয়া সেল’ পেজে ভুয়া ভিডিও”।

কালের কণ্ঠের শিরোনাম, “পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ”।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের বরাতে দাবি করা হয়েছে, “ছবিটি সম্পূর্ণ ভুয়া। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে এ ধরনের অপপ্রচার।”

একই ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মানবজমিন, একাত্তর টিভি, বাংলাভিশন, যায়যায়দিন, রাইজিং বিডি, বাংলাদেশ বুলেটিনসহ ওয়েবসাইট।

এদিকে স্টার নিউজের এ সংক্রান্ত আরেকটি খবরে বলা হয়েছে, “এআই দিয়ে প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন।”

জেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে নেতারা দাবি করেছেন, প্রতিমন্ত্রীর নামে ছড়ানো ছবি/ভিডিওগুলো ‘এআই-নির্মিত ভুয়া ছবি’।

 

প্রতিমন্ত্রীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি/ভিডিও এআই সৃষ্ট নয়

একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশিত অন্তরঙ্গ আংশিক ছবি এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ছবি ও ভিডিওর সূত্র ধরে পঞ্চগড় ও ঢাকার একাধিক সাংবাদিকের কাছ থেকে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের সাথে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ২০ সেকেন্ডের শব্দহীন ভিডিও, ৫টি ছবি ও হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের কয়েকটি স্ক্রিনশট যাচাইয়ের জন্য সংগ্রহ করেছে দ্য ডিসেন্ট। সংগ্রহকৃত ছবি ও ভিডিওর রেজুলেশন সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ছবি ও ভিডিওর চেয়ে বেশি।

সংগৃহীত সবগুলো ছবি ও ভিডিও এআই কন্টেন্ট চিহ্নিতকরণে ব্যবহৃত একাধিক টুল দিয়ে যাচাই করলেও কোনটিতেই ছবি ও ভিডিওগুলো এআই দিয়ে তৈরি এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

অধিকতর অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দ্য ডিসেন্ট সংগৃহীত ছবি ও স্ক্রিনশটগুলো বিশ্লেষণ করে আরও কিছু তথ্য পেয়েছে।

হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের স্ক্রিনশটগুলোর একটিতে একজন নারীর শাড়ি পরিহিত ছবি এবং একটি বাংলাদেশি মোবাইল নম্বর দেখা যায়।

মোবাইল ব্যাংকিং সেবার এপ থেকে দেখা যায়, আলোচ্য মোবাইল নম্বরে যে বিকাশ পারসোনাল একাউন্ট রয়েছে সেটির অমুসলিম এক নারীর নামে (নামটি দুই শব্দের)। ওই নারীর বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করলে দেখা যাচ্ছে তার বাড়ি পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার পাঁচপীর ইউনিয়নের সেই গ্রামে যেটি প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনেরও গ্রাম। ওই নারীর জন্ম ১৯৯৫ সালের জুন মাসে।

এরপর ওই মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করার পর একজন নারী রিসিভ করেন এবং তার নাম জানান, যা বিকাশ একাউন্ট যার নামে সেটির সাথে মিলে যায়।

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনে এই নম্বরটি পাওয়া গেছে উল্লেখ করে তাকে জানানো হয়, ওই কথোপকথনে একজন শাড়ি পরা নারীর ছবি দৃশ্যমান। জানতে চাওয়া হয়, ছবিটি যাচাইয়ের জন্য তার কাছে হোয়াটসআ্যাপের পাঠানো যাবে কিনা? তিনি অনুমতি দিলে ছবিটি পাঠানোর পর ওই নারী জানান, ছবিটি তারই।

তবে তিনি বলেন, তার ছবি সেখানে কীভাবে এলো, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।

যদিও দ্য ডিসেন্ট ছবিটিতে এআইয়ের কারসাজির কোন প্রমাণ পায়নি একাধিক টুলে যাচাই করে।

এরপর ওই নারীকে জিজ্ঞেস করা হয় ভাইরাল হওয়া ছবি/ভিডিও বা স্ক্রিনশটগুলোর বিষয়ে তিনি কোন কিছু জানেন কিনা। 

তিনি বলেন, এসব বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

তাকে আরও জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি এমপি ফরহাদ হোসেন আজাদকে চেনেন কি না। তার উত্তর ছিল,  “একজন এমপিকে চিনবো না কেন।”

তার পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে নারী জানান, তিনি বর্তমানে পড়াশোনা করছেন এবং চাকরি খুঁজছেন। বাসার ঠিকানা জানতে চাইলে তিনি তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান।

তবে দ্য ডিসেন্ট-এর অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের বাড়ি বোদা উপজেলার যে গ্রামে, সেখানেই ওই তরুণীর বাড়ি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রতিবেশী জানিয়েছেন, তরুণীর বাবা নেই, মা ও এক ভাই আছেন, যিনি এলাকায় অটোরিকশা চালান এবং কৃষি কাজ করেন।

ওই নারীকে ‘দিদি’ বলে সম্বোধন করেন এমন প্রতিবেশী এক অমুসলিম ছাত্র (যিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন) দাবি করেছেন, তিনি শুনেছেন ছোটবেলায় বাবাকে হারানোর পর ওই নারীর পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন ফরহাদ হোসেন।

২৮ জুলাই মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৯:৩০ থেকে ৯:৩২ মিনিট এবং ৯:৪৪ থেকে ৯:৪৯ মিনিট পর্যন্ত দুই দফায় দ্য ডিসেন্ট এর প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ওই নারীর।

এরপর রাত ১০:০২ মিনিটে এই প্রতিবেদকের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ০১৭০৭ সিরিয়ালের একটি বাংলাদেশি মোবাইল নম্বর থেকে কল আসে এবং নাম ভেসে ওঠে ‘FORHAD HOSSAIN AZAD’। একবারই কল এসেছে ওই নম্বর থেকে। এই প্রতিবেদকের সাথে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের কোন পূর্ব পরিচয় বা যোগাযোগ ছিল না এবং এই প্রতিবেদক যে এই ছবি ও ভিডিও যাচাইয়ের চেষ্টা করছেন তা ওই নারীর সাথে যোগাযোগের আগে অন্য কারো সাথে আলোচনা করেননি।

প্রতিবেদক তখন কল রিসিভ না করে আজ বুধবার সকালে ওই নম্বরে কল করেন। রিসিভ না হওয়ায় প্রতিবেদক হোয়াটসঅ্যাপে টেক্সট দিয়ে রাখেন এবং এরপর ওপর প্রাপ্ত থেকে কল আসে। প্রতিবেদক রিসিভ করে কুশল বিনিময়ের পর জানতে চান এটি কি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের নম্বর কিনা? তিনি সরাসরি উত্তর না দিয়ে প্রতিবেদকের পরিচয় জানতে চান। গত রাত ১০টার পরপর ফোন দেয়ার কথা স্বরণ করিয়ে দিলে তিনি বলেন, “আসেন, আমার দপ্তরে আসেন, চা খাই।”

এরপর সংযোগ সমস্যার কারণে কলটি কেটে যায়। পরবর্তীতে ফোন করলে ‘ব্যস্ত আছি’ বলে কেটে দেন ফরহাদ হোসেন।

 

প্রতিমন্ত্রীর মোবাইল নম্বরটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ফোন নম্বরের তালিকায় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের নামের পাশে উল্লেখ করা আছে।

আজ বুধবার দুপুরে পঞ্চগড়ের ওই নারীকে আবারও প্রশ্ন করা হয়েছিল, গত রাতে আপনার সাথে কথা বলার ১৩ মিনিটের মধ্যে প্রতিমন্ত্রী কল দিয়েছিলেন। উনাকে মোবাইল নম্বরটি কি আপনি দিয়েছিলেন?

জবাবে তিনি বলেন, “না না ভাইয়া, আমি কেন নম্বর দিতে যাব। আর আমার একটা ছবি বা নম্বর কোথাও পাওয়া গেলে এই যুগে এত চিন্তিত হওয়ার তো কিছু নাই। আমি পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত।”

এদিকে ভাইরাল হওয়া ছবিগুলোর মধ্যে একটিতে দেখা যায়, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অন্তর্বাস পরিহিত অবস্থায় মোবাইল দিয়ে সেলফি তুলছেন। তার মোবাইলের যে কভার দেখা যাচ্ছে একইরকম কভারযুক্ত মোবাইল নিকট অতীতে ফরহাদ হোসেন ব্যবহার করেছেন। সেরকম ছবি তার নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে রয়েছে।

 

মন্ত্রীর পক্ষে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে পরস্পরে মিল

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের ভিডিও ও ছবিকে ‘ভুয়া এবং এআই দিয়ে তৈরি’ বলে যে কয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে সেগুলোর পরস্পরের টেক্সটে ব্যাপক মিল রয়েছে। কিছু প্রতিবেদনের একাধিক প্যারাগ্রাফ বা বাক্য হুবহু মিলে যায়। 

কালবেলা প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে ২৮ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা ২৩ মিনিটে। এরপর যায়যায়দিন, বাংলাভিশন, কালের কণ্ঠ এবং রাইজিং বিডি অল্প সময়ের ব্যবধানে কাছাকাছি ভাষায় একই ধরনের প্রতিবেদন ছাপে।

প্রতিবেদনগুলোতে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য, ছবির কথিত বিশ্লেষণ, এআই প্রযুক্তির প্রসঙ্গ এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া প্রায় একই কাঠামোতে এসেছে।

যাযযায়দিনবাংলাভিশন, কালের কণ্ঠ এবং রাইজিং বিডির প্রতিবেদনে “ভাইরাল পোস্টে ব্যবহৃত ছবিটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, এটি একটি কোলাজধর্মী ছবি” এবং “তবে কেবল দৃশ্যগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়” ধরনের বাক্য একইভাবে এসেছে। 

একইভাবে, “সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, জনপ্রতিনিধি এবং জনপরিচিত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে ভুয়া ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা” এবং “তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষকদের পরামর্শ, কোনো ভাইরাল ছবি বা ভিডিওকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণের আগে...” অংশও একাধিক প্রতিবেদনে অপরিবর্তিত বা খুব সামান্য পরিবর্তনসহ ব্যবহার করা হয়েছে।

নিচে কয়েকটি প্যারাগ্রাফ একাধিক প্রতিবেদনে একইরকমভাবে প্রকাশিত হওয়ার তুলনামূলক চিত্র দেয়া হল:

সংবাদমাধ্যমের নাম
মিলে যাওয়া অংশ

যায়যায়দিন, বাংলা ভিশন, কালেরকণ্ঠ, রাইজিংবিডি, মানবজমিন

ভাইরাল পোস্টে ব্যবহৃত ছবিটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, এটি একটি কোলাজধর্মী ছবি। এতে একটি আপত্তিকর দৃশ্যের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর পৃথক একটি প্রতিকৃতি সংযুক্ত করা হয়েছে। ছবিটির বিভিন্ন অংশে আলো-ছায়া, মুখাবয়ব, শরীরের অনুপাত এবং ডিজিটাল সম্পাদনার কিছু অসামঞ্জস্য লক্ষ্য করা যায়। তবে কেবল দৃশ্যগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। এ ধরনের ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বা উন্নত সম্পাদনা প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা সম্ভব বলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন।

বাংলা ভিশন, কালেরকণ্ঠ, রাইজিংবিডি, যায়যায়দিন

সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, জনপ্রতিনিধি এবং জনপরিচিত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে ভুয়া ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং জনমত প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের ডিজিটাল কারসাজি ক্রমশ বাড়ছে।”

বাংলা ভিশন, কালের কণ্ঠ, রাইজিং বিডি, মানবজমিন

“বিএনপি নেতাকর্মীরা মনে করছেন, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের নৈতিক স্খলনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় এবার তার পাল্টা হিসেবে ফরহাদ হোসেন আজাদকে টার্গেট করা হয়েছে... পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতা ইসমাইল হোসেন বলেন, 'ফরহাদ হোসেন আজাদ ছাত্রদলের সোনালী অতীত। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার রাজনীতিকে কলঙ্কিত করতেই একটি চিহ্নিত মহল উঠেপড়ে লেগেছে।'”


ডিসক্লেইমার: কারো পারস্পরিক সম্মতিসূচক ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোন কন্টেন্ট যাচাই করা দ্য ডিসেন্ট এর নীতি নয়। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ জনগুরত্বপূর্ণ হলে এবং কন্টেন্টের অথেন্টিসিটি নিয়ে প্রশ্ন তুললে সেটি যাচাই করে এ সংক্রান্ত সঠিক তথ্য তুলে ধরে দ্য ডিসেন্ট।