ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারের বাবাকে সান্ত্বনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া রামিসার বড় বোন রাইসা আক্তারের সব দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে রামিসার বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ধৈর্যসহকারে রামিসার বাবার কথাও শোনেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।
গত মঙ্গলবার হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় ৮ বছর বয়সী রামিসা। এ ঘটনায় ওই দিনই পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমের কারাগারে পাঠানো হয় তাদের।
রামিসা আক্তার স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। মায়ের নাম পারভীন আক্তার। তাদের দুই মেয়ের মধ্যে রামিসা ছোট। বড় মেয়ে রাইসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলে নবম শ্রেণির ছাত্রী।