রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় নিহত আট বছর বয়সী শিশু রামিসার বাসায় গিয়ে তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার রাতে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের বাসায় যান তিনি।
এ সময় নিহত রামিসার বাবা-মা ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন ও সান্ত্বনা দেন প্রধানমন্ত্রী। মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি নিহত রামিসার পরিবারের সদস্যদের কাছে যান এবং তাদের সান্ত্বনা দেন। এ সময় তিনি পরিবারের খোঁজ-খবর নেন এবং ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী হলেন- আসাদুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমানসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ধর্ষণের পর রামিসাকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বুধবার নিহত রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন ঘটনার প্রধান আসামি সোহেল রানা। এ ছাড়া মামলার বিচার দ্রুত শেষ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
এদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের কাছে জবানবন্দি রেকর্ড হওয়ার পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লার দায়ের করা মামলায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এবং অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, সোহেল রানা কৌশলে রামিসাকে নিজের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।