ভারত-বাংলাদেশ ৯০তম যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক শুরু হচ্ছে কলকাতায়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) থেকে হয়ে এ বৈঠক চলবে শনিবার পর্যন্ত। আলোচনায় বাংলাদেশ থেকে যোগ দেবেন ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।
বুধবার (২০ মে) বিকেলে তাদের কলকাতায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশের জয়েন্ট রিভার কমিশনের সদস্য মহম্মদ আনোয়ার কবির। এ ছাড়াও বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে আছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ এশিয়া উইংয়ের ডিরেক্টর মহম্মদ বাকি বিল্লাহ। আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর মহম্মদ আলমগীর হোসেনের এবং কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) মহম্মদ ওমর ফারুক আকন্দের।
ভারতের তরফে নেতৃত্ব দেবেন কেন্দ্রের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের এক যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের একজন চিফ ইঞ্জিনিয়ার।
যৌথ নদী কমিশনের এবারের বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন ইস্যু। ১৯৯৬ সালে হওয়া গঙ্গার জলবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। তার আগে এটাই সর্বশেষ যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক।
বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল মুর্শিদাবাদে পৌঁছাবেন। সেখানে বৈঠকের ফাঁকেই ফারাক্কায় নেমে গঙ্গা নদীর পানি পরিমাপ করবেন তারা। পরের দিন শুক্রবার তারা ফিরে যাবেন কলকাতায়। কলকাতার শুক্র ও শনিবার একটি অভিজাত হোটেলে হবে মূল বৈঠক।
গঙ্গার ফারাক্কা পয়েন্টে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম প্রবাহ: দুই দেশ জল সমানভাবে ভাগ করে নেবে। অর্থাৎ, বাংলাদেশ পাবে ৩৫ হাজার কিউসেক পর্যন্ত।
গঙ্গার পানি চুক্তি
৭০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক প্রবাহ: এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ অনুসারে বাংলাদেশ স্থায়ীভাবে ৩৫ হাজার কিউসেক দল পাবে এবং অবশিষ্ট অংশ পারে ভারত।
৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি প্রবাহ: ভারত ৪০ হাজার কিউসেক পাবে এবং অবশিষ্ট সম্পূর্ণ অংশ পাবে বাংলাদেশ।
তার আগে চুক্তি পুনর্নবীকরণ না হলে বর্তমান চুক্তি মেনে জলবণ্টন চালু থাকবে দুদেশের মধ্যে।