Image description

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একে একে মারা যান স্বামী ও তিন সন্তান। পরিবারটির একমাত্র সদস্য হিসেবে বেঁচে ছিলেন গৃহকত্রী সায়মা (৩২)। তিনিও আজ মারা গেলেন। এতে পাঁচ সদস্যের পরিবারটির কেউই বেঁচে রইলেন না। 

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সকাল ৮ টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান। তার শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। 

এর আগে পরিবারটির গৃহকর্তা মো. কালাম (৩৫) এবং তাদের তিন শিশু সন্তান মুন্না (৭), কথা (৭) ও মুন্নি (১০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। 

রোববার সকালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার গিরিধারা এলাকায় একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে তারা দগ্ধ হয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিতাস গ্যাস লাইনের লিক থেকে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণ ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স জানায়, সবজি বিক্রেতা কালাম তার স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। দুর্ঘটনার পর সবাইকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তবে কারও অবস্থাই স্থিতিশীল ছিল না।

চিকিৎসকদের মতে, দগ্ধদের শরীরের বড় অংশ পুড়ে যাওয়ায় তাদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি।