সারা দেশে স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ২৫ হাজার ৪০৮ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিন অংশ নেননি। এর মধ্যে আছেন স্কুল পর্যায়ের নয়টি শিক্ষাবোর্ডের ১১ হাজার ৮৯ জন, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের ১১ হাজার ২১১ জন এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের দুই হাজার ৩০৭ জন শিক্ষার্থী।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের তিন হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এতে অংশ নিয়েছেন সারা দেশের ৩০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
প্রথম দিন মঙ্গলবার স্কুল পর্যায়ে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে কোরআন মাজিদ ও তাজবিদ এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে বাংলা-দ্বিতীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
স্কুল পর্যায়ে নয়টি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে দুই হাজার ৪৮১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষার্থী ছিলেন ১১ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৩ জন। অংশগ্রহণ করেছেন ১১ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন। অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ হাজার ৮৯০ জন।
ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ দুই লাখ ৯১ হাজার ৪৪৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে দুই লাখ ৮৮ হাজার ৭০২ জন অংশগ্রহণ করেন। অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৭৪৬ জন। বহিষ্কৃত হয়েছেন একজন পরীক্ষার্থী।
রাজশাহী বোর্ডে এক লাখ ৪৯ হাজার ৭৫৬ জনের মধ্যে এক হাজার ৯৫৮ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। কুমিল্লা বোর্ডে এক লাখ ১৭ হাজার ৮৮১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক হাজার ৪২৬ জন অনুপস্থিত ছিলেন।
যশোর বোর্ডে অনুপস্থিতি ছিলেন ১ হাজার ৪৪১ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডে এক লাখ ছয় হাজার ৮৭২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক হাজার ৩ জন অনুপস্থিত ছিলেন।
সিলেট বোর্ডে ৬৭৪ জন এবং বরিশাল বোর্ডে ৯১১ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। দিনাজপুর বোর্ডে একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। ময়মনসিংহ বোর্ডে ৮০ হাজার ৬৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৭৫৩ জন।
মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে ৭৪১টি কেন্দ্রে দুই লাখ ৫৪ হাজার ৯০৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশগ্রহণ করেন দুই লাখ ৪৩ হাজার ৬৯২ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১১ হাজার ২১১ জন পরীক্ষার্থী।
কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে ৬৫৩টি কেন্দ্রে এক লাখ ১৯ হাজার ২৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ১৬ হাজার ৯৪৩ জন অংশগ্রহণ করেন। অনুপস্থিত ছিলেন দুই হাজার ৩০৭ জন।