ভারতের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ওঠা দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত অভিযোগ নতুন মোড় নিয়েছে। এবার বিষয়টি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দেওয়া এই নির্দেশে আদালত জানায়, উত্তর প্রদেশ সরকারকে নিজ উদ্যোগে তদন্ত করতে হবে। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার সহায়তাও নেওয়া যেতে পারে।
মামলার সূত্রপাত হয় কর্ণাটকের বিজেপি কর্মী এস বিঘ্নেশ শিশিরের করা এক আবেদনের মাধ্যমে। এতে দাবি করা হয়, রাহুল গান্ধী ভারতীয় আইনের বিধান লঙ্ঘন করে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন।
এর আগে লখনউয়ের একটি বিশেষ এমপি-এমএলএ আদালত গত ২৮ জানুয়ারি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালত তখন জানায়, নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার তাদের নেই।
পরবর্তীতে নিম্ন আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবেদনকারী উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, রাহুল গান্ধী ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট এবং পাসপোর্ট আইনসহ একাধিক আইন লঙ্ঘন করেছেন কি না, তা তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, মামলাটি প্রথমে রায়বেরেলির আদালতে দাখিল করা হলেও পরে তা লখনউতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।
বিশ্লেষকদের মতে, আদালতের এই নির্দেশের ফলে রাহুল গান্ধীর নাগরিকত্ব বিতর্ক আবারও ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তাপ সৃষ্টি করেছে।
শীর্ষনিউজ