Image description

সৌদি আরবের ভূখণ্ডে হামলা অব্যাহত থাকলে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর হতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়ে ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান। খবর আলজাজিরার। 

তবে ইয়েমেনের যুদ্ধে পাকিস্তানের সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা নীতি বিশ্লেষক উলফগ্যাং পুস্তাই। আলজাজিরাকে তিনি বলেন, ইয়েমেনে পাকিস্তানি সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা নেই। কারণ, ইয়েমেনে প্রয়োজনীয় বিমান হামলা পরিচালনার মতো সক্ষমতা সৌদি আরবের বিমানবাহিনীর রয়েছে।

 

পুস্তাই বলেন, তুরস্ক ও পাকিস্তান যদি তেহরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করে হুথিদের ওপর নিজেদের প্রভাব কাজে লাগানোর চেষ্টা করে, তাহলে হুথিদের হামলায় কিছুটা সংযম আসতে পারে। তবে এতে গোষ্ঠীটির সামরিক অভিযান পুরোপুরি বন্ধ হবে না।

 

তিনি বলেন, তেহরান অবশ্যই হুথিদের চালু বা বন্ধ করার সুইচ নিয়ন্ত্রণ করে না।

 

অর্থাৎ, ইরানের সঙ্গে হুথিদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও ইয়েমেনের এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর তেহরানের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই বলেই মনে করেন এই বিশ্লেষক।

 

এদিকে দক্ষিণ লোহিত সাগরের জুকার দ্বীপ দখলে নিয়েছে হুতিরা—এমন খবর পাওয়া গেছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা এএফপি বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী আল-মাখায় হুতি বাহিনীকে প্রবেশ করতে দেখেছেন তারা; এ সময় তারা “আমেরিকার মৃত্যু হোক, ইসরাইলের মৃত্যু হোক” স্লোগান দিচ্ছিল।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, রকেট হামলা এবং যোদ্ধাবাহী নৌকার মাধ্যমে স্থল অভিযানের পর হুতিরা দক্ষিণ লোহিত সাগরের জুকার দ্বীপটি দখলে নিয়েছে।

 

এএফপি-র বিভিন্ন সূত্রের তথ্যানুযায়ী, গত সপ্তাহ থেকে ইয়েমেনে চলা লড়াইয়ে অন্তত ৫০০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই যোদ্ধা। ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) জানিয়েছে, প্রায় ২০ হাজার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে।