দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণঘাতী হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ‘এই অবৈধ ও বেছে নেওয়া যুদ্ধের সত্যতা—এবং যুদ্ধাপরাধের প্রকৃত চেহারা—সিরিকে দেখা গেছে। সেখানে আমেরিকার ব্যর্থতা আড়াল করার মরিয়া প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে নির্মমভাবে বোমা হামলা চালানো হয়েছে।’
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, মার্কিন বিমান হামলায় এক শিশুসহ অন্তত চারজন নিহত এবং ৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
ইরান সরকারের একটি অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ভিডিওতে হামলার পর সিরিকে যে স্থানে বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছিল বলে দাবি করা হয়েছে, সেখানে ধ্বংসাবশেষ ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা যায়। ভিডিওতে পেছন থেকে মানুষের চিৎকারের শব্দও শোনা যায়।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভিডিওতে কনের বাবা আলী মাল্লাহী বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এটি একটি আবাসিক ভবন। আর দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান চলার সময়ই ঘটনাটি ঘটেছে।’
তিনি বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক একটি ঘটনা… আল্লাহর শুকরিয়া, হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হয়নি।’
তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র টিম হকিন্স দাবি করেছেন, ‘আইআরজিসির বিপরীতে মার্কিন সামরিক বাহিনী কখনো বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানায় না।’ এখানে তিনি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কথা উল্লেখ করেন।