মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রায় ৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার। আজ বুধবার (২৯ জুলাই) মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। খবর মালয় মেইলের
দেশটির জালেবুতে আয়োজিত এক জনসমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, অতীতে এই প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত কঠিন ছিল। মিয়ানমার আগে তাদের ফিরিয়ে নিতে একেবারেই রাজি ছিল না। তবে মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্কের ফলেই এই ইতিবাচক কূটনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মালয়েশিয়া থেকে এই ৫,০০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফেরত নেবে মিয়ানমার।
উল্লেখ্য, গত সোমবার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর কার্যালয়ের সামনে শতাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা সকালে পেনাং থেকে তিনটি বাসে করে রাজধানী কুয়ালালামপুরে পৌঁছান।
কুয়ালালামপুরের পুলিশ প্রধান দাতুক ফাদিল মারসুস জানান, বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) এবং ইউএনএইচসিআর-এর মাধ্যমে তিনটি নির্দিষ্ট রাজ্যে ধাপে ধাপে এসব শরণার্থীদের স্থানান্তরিত করা হচ্ছে।
গতকাল এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কড়া বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, মালয়েশিয়ার আইনশৃঙ্খলায় ব্যাঘাত ঘটায় বা দেশের কোনো এলাকা দখল করার চেষ্টা করে—এমন কোনো শরণার্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে সরকার কোনো আপস করবে না। সড়ক ও জনাকীর্ণ স্থানে অননুমোদিত সমাবেশ করে জনভোগান্তি তৈরি না করতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটালে পুলিশকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।