প্রায় সবারই কমবেশি সূর্যের আলোতে রংধনু দেখার অভিজ্ঞতা আছে। কিন্তু রাতের বেলাতেও দেখা যেতে পারে রংধনু।
ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত পৃথিবীর অল্প কয়েকটি স্থানের একটি যেখানে এই ‘মুনবো বা চন্দ্রধনুর’ দেখা যেতে পারে।
সম্প্রতি ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাতে সারাহ স্টিজার রাতে চাঁদের আলোতে তৈরি রংধনু দেখেন এবং ক্যামেরাবন্দি করেন।
সারাহ স্টিজার সংবাদ মাধ্যম বিবিসি-তে তার চন্দ্রধনু দেখার অভিজ্ঞতার কথা লেখেন।
সারাহ স্টিজার তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, সেখানে কোনো ফ্লাডলাইট ছিল না। ছিল কেবল উদীয়মান পূর্ণিমার চাঁদের ম্লান আভা এবং জাম্বিয়ার রাতের ঘন নীল-কালো অন্ধকার।
সারাহ আরও বলেন, তারপর ধীরে ধীরে, প্রায় অলক্ষ্যে, জলকণার মাঝে একটি ম্লান দাগ, সরাসরি সেদিকে না তাকালে লক্ষ করা কঠিন। তারপর একটি বক্ররেখা ফুটে উঠল- একটি কোমল, উজ্জ্বল বন্ধনী যা অন্ধকারের বুক চিরে প্রসারিত হয়েছে, নিচে হা করা গিরিখাতের ওপরে ঝুলে আছে। এটিই ছিল ‘মুনবো’ বা একটি চন্দ্রধনু যা সূর্যের আলোয় নয়, বরং চাঁদের আলোয় তৈরি হয়।
জিম্বাবুয়ে এবং জাম্বিয়ার সীমান্তের মাঝে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জলপ্রপাত ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত। এটি স্থানীয়ভাবে ‘মোসি-ওয়া-তুনিয়া’ বা ‘বজ্রধ্বনি সৃষ্টিকারী ধোঁয়া’ নামে পরিচিত।
প্রতি বছর প্রায় দশ লাখ মানুষ এই ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত দেখতে আসেন। যাদের বেশিরভাগই দিনের আলোতে আসেন। কিন্তু অন্ধকার হওয়ার পর, পূর্ণিমার সময়টিতে অভিজ্ঞতাটি সম্পূর্ণ বদলে যায়।
সূত্র: বিবিসি