লেবাননে যুদ্ধবিরতির পর দেশটির প্রতি ‘পূর্ণ সমর্থন’ ঘোষণা করেছে পর্তুগাল। সম্প্রতি লেবাননের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউসেফ রাজজির সঙ্গে বৈঠককালে এ ঘোষণা দেন পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাওলো র্যাঞ্জেল।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) আল জাজিরার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধবিরতির পর লেবাননে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে মতবিনিময় করেন লেবানন ও পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় লেবানন ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানান। এছাড়া লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি পর্তুগালের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, লেবানন যে আলোচনার পথে এগোতে চায় তা প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে একটি টেকসই সমাধানের সুযোগ তৈরি হবে। মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে এ যুদ্ধের সমাপ্তি হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে। সাম্প্রতিক অন্যান্য ঘোষণার মতো এটিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এ ঘোষণা দেন।
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে চমৎকার আলোচনা করেছি। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির বিষয়ে সম্মত হয়েছেন।’
অন্যদিকে লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের খিয়াম ও দিব্বিন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে।